অর্ধশতরানের পর ঈশান। ছবি: পিটিআই।
এক সময় মনে হয়েছিল আবার ব্যাটিং বিপর্যয় হতে চলেছে। সেখান থেকে হায়দরাবাদকে উদ্ধার করলেন ঈশান কিশন। অধিনায়ক হয়ে প্রথম বার মনে রাখার মতো ইনিংস খেললেন তিনি। অল্পের জন্য হাতছাড়া করলেন শতরান। ঈশান এবং হাইনরিখ ক্লাসেনের সৌজন্যে রাজস্থানের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ২১৬/৬ তুলল হায়দরাবাদ।
শুরুটা খুবই খারাপ হয়েছিল হায়দরাবাদের। জফ্রা আর্চারের প্রথম বলেই তুলে মারতে যান অভিষেক শর্মা। অফস্টাম্পের বাইরে বাউন্স হওয়া বলে ওই শট ঠিক মতো হয়নি। থার্ডম্যানে ক্যাচ ধরেন রবি বিশ্নোই। ইনিংসের প্রথম বলে উইকেট হারালে যে কোনও দলই চাপে পড়তে বাধ্য। ফলে পাওয়ার প্লে-তে রান তোলার ব্যাপারে হায়দরাবাদের যে সুখ্যাতি রয়েছে তা এ দিন দেখা যায়নি। অভিষেককে না পেয়ে ট্রেভিস হেডের খেলার মধ্যেও একটু মন্থরতা ছিল। ঈশানের চালিয়ে খেলার সৌজন্যে তারা ৫১ রান তোলে। পরের ওভারেই রিয়ান পরাগ ফিরিয়ে দেন হেডকে (১৮)।
ঈশানের সঙ্গে যোগ দেন ক্লাসেন। এই জুটির প্রথম দু’টি ওভারে বিশেষ রান ওঠেনি। স্ট্র্যাটেজিক টাইম-আউটের পরেই বদলে যায় হায়দরাবাদের খেলা। ঈশান এবং ক্লাসের দু’জনেই চালিয়ে খেলতে থাকেন। তুষার দেশপান্ডের ওভারে ওঠে ২১ রান। বিশ্নোই ১৩ এবং আর্চার ১৭ রান দেন।
১৪তম ওভারে শেষ হয় ঈশানের দৌড়। সন্দীপ শর্মার বলে চালিয়ে খেলেছিলেন ঈশান। ব্যাটের কানায় লেগে বল আকাশে উঠে যায়। সন্দীপ নিজেই সেই ক্যাচ ধরেন। তবে ধ্রুব জুরেলের সঙ্গে সংঘর্ষও হয়। এর পর আবার থমকে যায় হায়দরাবাদের রানের গতি। ২৬ বলে ৪০ করে ফেরেন ক্লাসেনও। খেলা বদলে দেয় ১৮তম ওভার। সন্দীপের সেই ওভার থেকে ২৪ রান নেন নীতীশ রেড্ডি এবং সলিল অরোরা। বাকি দুই ওভারে বিশেষ রান না উঠলেও ২০০ পেরিয়ে যায় হায়দরাবাদের রান।