Vaibhav Sooryavanshi

অনুশীলনে আগ্রাসী ছন্দে বৈভব, জাডেজার একের পর এক বল ওড়াল মাঠের বাইরে, অবাক রাজস্থানের অলরাউন্ডার

আইপিএল শুরু হওয়ার আগে বৈভব সূর্যবংশী জানিয়েছিল, এ বার অনেক নজির ভেঙে দিতে চায় সে। তা বোঝা গিয়েছে ১৪ বছরের ক্রিকেটারের অনুশীলন দেখে। রবীন্দ্র জাডেজার একের পর এক বল মাঠের বাইরে পাঠিয়েছে সে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ১৫:৫১
Share:

বৈভব সূর্যবংশী। — ফাইল চিত্র।

আইপিএল শুরু হওয়ার আগে বৈভব সূর্যবংশী জানিয়েছিল, এ বার অনেক নজির ভেঙে দিতে চায় সে। সেই কাজ যে করে দেখাতে মরিয়া তা বোঝা গিয়েছে ১৪ বছরের ক্রিকেটারের অনুশীলন দেখে। রবীন্দ্র জাডেজার একের পর এক বল মাঠের বাইরে পাঠিয়েছে সে।

Advertisement

রাজস্থানের তরফে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে জাডেজার বলে বৈভবকে ব্যাট করতে দেখা গিয়েছে। মোট আটটি বল করেছেন জাডেজা। তার মধ্যে একটি ওয়াইড। দু’টি বলে বড় শট খেলতে পারেনি বৈভব। বাকি ছ’টি বলই সে বড় শট খেলে মাঠের বাইরে পাঠিয়েছে। বৈভবের শট দেখে অবাক হয়ে হাসতে দেখা গিয়েছে জাডেজাকেও।

চেন্নাই থেকে এ বার রাজস্থানে যোগ দিয়েছেন জাডেজা। সঞ্জু স্যামসনের বদলে তাঁকে দল থেকে ছেড়ে দিয়েছে চেন্নাই। রাজস্থানে এটি জাডেজার দ্বিতীয় পর্ব। শোনা গিয়েছিল তিনি দলকে নেতৃত্ব দেবেন। তবে বেছে নেওয়া হয়েছে রিয়ান পরাগকেই।

Advertisement

অন্য দিকে, সঞ্জু চলে যাওয়ায় পাকাপাকি ভাবে রাজস্থানের ওপেনার হিসাবে খেলবে বৈভব। গত বছর গুজরাতের বিরুদ্ধে শতরান করেছিল। এ বার ক্রিস গেলের ১৭৫ রানের নজির ভাঙতে চায় সে।

কিছু দিন আগে রাজস্থানের একটি অনুষ্ঠানে বৈভব বলেছিল, “আমি নিজের কাজ নিয়েই ভাবি। যে কোনও পেশায় আপনি ভাল করলে প্রত্যাশা তৈরি হবেই। সকলে মাথায় তুলে রাখবে। আপনি কী ভাবে সেই চাপ সামলাবেন, সেটা আপনার বিষয়। তাই আমি খেলা নিয়েই ভাবি। পর পর খেলা থাকে। তাই অন্য দিকে নজর দেওয়ার সময় থাকেই না।”

চলতি বছরই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছে বৈভব। সেখানে ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮০ বলে ১৭৫ রান করেছিল সে। গত বার আইপিএলে নেমেই শতরান করেছিল বাঁহাতি ওপেনার। এখন পর্যন্ত তার খেলা সেরা ইনিংস কোনটা? বৈভব বলেছিল, “অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের ইনিংসটাকে সকলের আগে রাখব। কারণ, আইপিএলে আরও সুযোগ পাব। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ এক বারই পাব। সেখানে ফাইনাল জেতাতে আমার শতরানের ভূমিকা ছিল। এর থেকে বড় গর্বের মুহূর্ত আমার জীবনে খুব বেশি আসেনি।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement