বরুণ চক্রবর্তী। ছবি: পিটিআই।
পায়ে চিড় ধরেছে। তা সত্ত্বেও বরুণ চক্রবর্তীকে জোর করে খেলিয়ে যাচ্ছে কেকেআর। এমনই অভিযোগ উঠল আইপিএলের মাঝে। কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটার হওয়া সত্ত্বেও কী ভাবে বরুণকে খেলানো হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এমনকি কেকেআরের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে ব্যবস্থা নেওয়াও হতে পারে।
বল করতে গিয়ে বরুণের যে কষ্ট হচ্ছে সেটা বোঝা গিয়েছে শনিবারের ম্যাচে। তা সত্ত্বেও তিনি চার ওভার বল করেছেন। পরের মাসে আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সফরে ভারতের সাতটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা। বরুণও সেখানে খেলবেন। তা হলে কেন তাঁকে খেলিয়ে যাওয়া হচ্ছে?
বোর্ডের এক কর্তা সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, “কেকেআরের ফিজিয়োর সঙ্গে ভারতের ফিজিয়োর (কমলেশ জৈন) যোগাযোগ রয়েছে। কেকেআর এবং বোর্ডের মধ্যে যে কথাবার্তা হয়েছে তাতে জানা গিয়েছে, আগের ম্যাচে বাউন্ডারি বাঁচাতে গিয়ে বরুণের বাঁ পায়ে চোট লেগেছে। শোনা যাচ্ছে ওর হাড়ে চিড় ধরেছে। যে হেতু ও কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটার, তাই আমার বিশ্বাস ওর ফিটনেস সকলের আগে থাকা উচিত। বোর্ডের চিকিৎসক দল হস্তক্ষেপ করতে পারে। জৈনকে জিজ্ঞাসা করা হতে পারে যে কেকেআরের চিকিৎসকদের থেকে কোন বার্তা ও পেয়েছে।”
যে হেতু বরুণ টি-টোয়েন্টির বিশেষজ্ঞ বোলার, তাই আফগানিস্তান সিরিজ়ে তাঁকে নিয়ে সমস্যা নেই। কিন্তু ইংল্যান্ড সফরের আগে তিনি সেরে ওঠার যথেষ্ট সময় পাবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। ২৬ জুন থেকে সেই সফর শুরু। প্রশ্ন উঠছে, যখন রান-আপে সমস্যা হচ্ছে তখন বোলার নিজে থেকেই কেন বল করা বন্ধ করলেন না। তিনি শনিবার ৪ ওভারে মাত্র ৪৭ রান দিয়েছেন। মাত্র তিনটি ডট বল দিতে পেরেছিলেন।
ওই সূত্রের প্রশ্ন, “যদি বরুণকে চোটের জন্য আরসিবি ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়ে থাকে, তা হলে প্রশ্ন উঠতেই পারে যে চার বিরতি সত্ত্বেও কেন সেই ম্যাচে খেলতে পারেনি এবং কেন শনিবারের ম্যাচের আগে হঠাৎ ফিট হয়ে গেল? কেকেআরের কাছে বাকি ম্যাচ মরণ-বাঁচন ঠিকই। কিন্তু বোর্ডই বা কী ভাবে এগুলোয় অনুমতি দিচ্ছে? চোট নিয়েও ক্রিকেটার খেলতে চাইবেই। কিন্তু সেটা কি ঠিক?”
এখন প্রশ্ন, বরুণকে কি পরের দু’টি ম্যাচে পাওয়া যাবে? উত্তর অজানা। কেকেআরের ম্যাচ বাকি মুম্বই (২০ মে) এবং দিল্লির (২৪ মে) বিরুদ্ধে।