ICC T20 World Cup 2026

বিশ্বকাপ খেলতে এসে দেশে ফেরা হল না জিম্বাবোয়ের, যুদ্ধের জন্য দিল্লিতেই আটকে দল

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড় থেকে বাদ পড়েছে জ়িম্বাবোয়ে। কিন্তু তার পরেও দেশে ফিরতে পারছেন না সিকন্দর রাজ়ারা। ভারতেই আটকে রয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ মার্চ ২০২৬ ১২:২৩
Share:

জ়িম্বাবোয়ে ক্রিকেট দল। —ফাইল চিত্র।

সোমবার দেশে ফেরার কথা ছিল জ়িম্বাবোয়ের ক্রিকেটারদের। কিন্তু আপাতত দিল্লির হোটেলেই আটকে রয়েছেন তাঁরা। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড় থেকে বাদ পড়েছে জ়িম্বাবোয়ে। কিন্তু তার পরেও দেশে ফিরতে পারছেন না সিকন্দর রাজ়ারা। ইরানের বিরুদ্ধে ইজ়রায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের কারণেই দেশে ফিরতে সমস্যায় পড়েছেন জ়িম্বাবোয়ের ক্রিকেটারেরা।

Advertisement

রবিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইটের শেষ ম্যাচ খেলেছে জ়িম্বাবোয়ে। সেই ম্যাচ হেরেছে তারা। সুপার এইটের তিনটি ম্যাচই হেরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়েছে তারা। সোমবার দু’টি ব্যাচে দেশে ফেরার কথা ছিল জ়িম্বাবোয়ের ক্রিকেটারদের। প্রথম ব্যাচের ক্রিকেটারদের বিমান ধরার কথা ছিল ভোর সাড়ে ৪টেয়। পরের ব্যাচ বিমান ধরত সন্ধ্যায়।

দিল্লি থেকে প্রথমে দুবাই ও তার পরে সেখান থেকে হারারেতে ফেরার কথা ছিল সিকন্দরদের। কিন্তু যুদ্ধের কারণে দুবাইয়ের বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের আকাশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে, বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেই কারণেই এই সমস্যা হচ্ছে।

Advertisement

আপাতত ৪ মার্চ পর্যন্ত দিল্লির হোটেলে জ়িম্বাবোয়ের ক্রিকেটারদের ঘর ভাড়া করা রয়েছে। তার পর কী হবে তা নিয়েই চিন্তায় ক্রিকেটারেরা। যদিও আয়োজকেরা জানিয়েছে, বিকল্প পথে ক্রিকেটারদের দেশে ফেরানো যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

এর মাঝেই একটি বিবৃতি দিয়েছে আইসিসি। বিশ্বক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা লিখেছে, “মধ্যপ্রাচ্যে যে সমস্যা শুরু হয়েছে তার সঙ্গে বিশ্বকাপের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বেশ কিছু দেশের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের ফেরার ক্ষেত্রে দুবাই বিমানবন্দর খুব গুরুত্বপূর্ণ, সেই খবর আইসিসি জানে। তাই সেই সব দেশের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের দেশে ফেরানোর সব রকম বন্দোবস্ত আইসিসি করবে।” জয় শাহের সংস্থা বিবৃতিতে আরও লিখেছে, “ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। আইসিসির সুরক্ষা দল সবদিকে নজর রাখছে। ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের সুরক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়ে একটি আলাদা দল তৈরি করা হয়েছে। তারা পুরো বিষয়টি দেখছে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement