ঘানার ফুটবলার থমাস পার্টি। ছবি: এক্স।
ফুটবল বিশ্বকাপে বিতর্ক থামার নাম নেই। আরও এক ফুটবলারের ভিসা খারিজ করায় লেগে গেল দুই দেশের মধ্যে। ঘানার ফুটবলার থমাস পার্টির বিরুদ্ধে মামলা চলছে ব্রিটেনের আদালতে। সেই কারণে তাঁকে ভিসা দেয়নি কানাডা সরকার। তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে ঘানা।
২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ভিয়ারিয়ালের ফুটবলার থমাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন চার মহিলা। সেই মামলা চলছে। থমাসের দাবি, তিনি নির্দোষ। ব্রিটেনের আদালতে পরের বছর সেই মামলার শুনানি রয়েছে। সেই কারণেই থমাসকে ভিসা দেয়নি কানাডা সরকার। বুধবার টরন্টোয় পানামার বিরুদ্ধে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ঘানা। সেই ম্যাচে পাওয়া যাবে না থমাসকে।
আপাতত বস্টনে দলের সঙ্গে রয়েছেন থমাস। আমেরিকার মাটিতে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে তিনি খেলতে পারবেন। কিন্তু কানাডার মাটিতে খেলতে পারবেন না থমাস। সেখানেই আপত্তি ঘানার। সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক একটি বিবৃতিতে বলেছে, “কানাডার অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঘানা সরকার প্রতিবাদ করেছে। থমাসের সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে। এখনও মামলা বিচারাধীন। থমাসের অপরাধ প্রমাণিত হয়নি। তা হলে কোন নিয়মে তাঁর ভিসা খারিজ করা হল। কানাডার উচিত, নিজেদের সিদ্ধান্ত বিবেচনা করে দেখা।”
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কানাডার অভিবাসন দফতর অবশ্য নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। তারা জানিয়েছে, বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রেও নিজেদের অভিবাসন নীতি বদলাবে না কানাডা। যাঁরা কানাডায় আসতে চান, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা বিচারাধীন থাকলে তাঁকে সে দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। সেই নিয়ম সকলকে মেনে চলতে হবে।
এই প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে ফিফা। বিশ্বফুটবলের নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, তাদের হাত বাঁধা। কোনও দেশের অভিবাসন নীতি পরিবর্তনের ক্ষমতা তাদের নেই। খুব বেশি হলে তারা অনুরোধ করতে পারে। কিন্তু নিয়ম আয়োজক দেশের।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
এর আগে সোমালির রেফারি ওমার আর্টানকে আমেরিকায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ রয়েছে ওমারের। তাই তাঁকে আমেরিকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। এই ঘটনা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এ বার আরও এক ফুটবলারকে ঘিরে বিতর্ক হল বিশ্বকাপে।