হ্যারি কেন। ছবি: রয়টার্স।
ইংল্যান্ডের সব গোপন কথা কি ফাঁস হয়ে যাচ্ছে? ফাঁস হয়ে যাচ্ছে টমাস টুখেলের পরিকল্পনা? কী ভাবে ইংল্যান্ডকে হারানো যায় সেই ছক কি কষে ফেলেছে ঘানা? এমনই সব প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড বনাম ঘানা ম্যাচের আগে। তার নেপথ্যে ইংল্যান্ডের ‘ঘরশত্রু বিভীষণ!’
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতেছে ইংল্যান্ড ও ঘানা। এ বার একে অপরের মুখোমুখি তারা। এই ম্যাচ যারা জিতবে তাদের নকআউট পাকা। সেই লড়াইয়ের আগে ইংল্যান্ডের চিন্তা বাড়াচ্ছে ঘরের লোক। তাঁর নাম জেমি ভার্ডি।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
ক্লাব ফুটবলে ভার্ডির লেস্টার সিটিতে খেলেন ঘানার স্ট্রাইকার আব্দুল ফাতাউ। তিনি জানিয়েছেন, ভার্ডির কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন। ভার্ডি তাঁকে পরিকল্পনা করে দিয়েছেন, কী ভাবে ইংল্যান্ডকে হারানো যাবে। ভার্ডির সঙ্গে ফাতাউর সম্পর্ক বেশ ভাল। তারই সুযোগ নিচ্ছেন ঘানার স্ট্রাইকার।
প্রথম ম্যাচে পানামাকে ঘানা হারালেও ফাতাউ খেলার সুযোগ পাননি। তবে সুযোগ পেলে কী করতে পারেন তা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দেখাতে চান তিনি। ফাতাউ বলেন, “ও সারা ক্ষণ খেলার কথাই বলছে। ভার্ডি আমাকে বিশ্বাস করে। তাই আমাকে কী করতে হবে সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। কী ভাবে ইংল্যান্ডকে হারানো যায়, সেটাও বলেছে। আমি শুধু মাঠে নামার অপেক্ষায়। আমি কী করতে পারি, তা মাঠে নামলেই দেখিয়ে দেব।”
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
ক্লাব ফুটবলে পরিচিত নাম ভার্ডি। লেস্টার সিটিকে প্রিমিয়ার লিগ জেতাতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। তবে ইংল্যান্ডের হয়ে তেমন সুযোগ পাননি তিনি। দেশের হয়ে ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন। করেছেন সাতটি গোল। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছিলেন। চারটি ম্যাচ খেলে নির্ধারিত সময়ে একটিও গোল করতে পারেননি। তবে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে একটি গোল করেছিলেন। সেই বিশ্বকাপের পর আর ইংল্যান্ডের দলে সুযোগ পাননি। সেই বছরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন ভার্ডি। সেই ভার্ডিই এখন ইংল্যান্ডের চিন্তার কারণ। হ্যারি কেনদের হারানোর পরিকল্পনা করছেন তিনি।