লিয়োনেল মেসি। ছবি: রয়টার্স।
মেসিকে ফাউল। বক্সের বাইরে ভাল জায়গায় ফ্রিকিক পেল আর্জেন্টিনা।
বক্সে ভাল জায়গায় বল পেলেন মেসি। গোল অবশ্য করতে পারেননি। সহকারী রেফারি জানিয়ে দিলেন অফসাইড।
১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। আরও মেসি ম্যাজিকের অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।
আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে উঠেছে খেলা। দাপট বেশি আর্জেন্টিনারই। ম্যাচের মেজাজ চড়ছে। বাড়ছে ফাউল। উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে ছোট ছোট। কড়া হাতে সামলাচ্ছেন রেফারি।
এ বারের বিশ্বকাপে চতুর্থ। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ১৭তম গোল মেসির। প্রতি আক্রমণে আলমাডা বল নিয়ে ফাইনাল থার্ডে ঢুকে যান। তিনি বাঁ দিকে মেদিনাকে বল দেন। তিনি মাঝখানে ক্রস করেন। মেসি বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে গোল করলেন। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।
একের পর এক আক্রমণ করছেন মেসিরা। তবু কাজের কাজটা এখনও করতে পারেননি তাঁরা। সতর্ক অস্ট্রিয়ার ডিফেন্ডারেরা।
১৯ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ নষ্ট করলেন মেসি! শ্লেগারকে প্রায় একা পেয়েও তাঁর গায়ে মারলেন। মেসির কি খেলায় মন নেই আজ?
পেনাল্টির পর থেকে আর্জেন্টিনার উপর চাপ বাড়াচ্ছে অস্ট্রিয়া। প্রতি আক্রমণে উঠছে দ্রুত। যদিও এখনও আর্জেন্টিনার বক্সে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি তারা।
পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারলেন না মেসি। ১৭তম গোলের প্রতীক্ষা বাড়ল। বক্সের মধ্যে মার্তিনেজ়কে ফাউল করেন অস্ট্রিয়ার দুই ফুটবলার। ভার-এর সাহায্য নিয়ে পেনাল্টি দেন রেফারি। ৯ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নষ্ট করলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। ডান পোস্টে শট মারেন। কিন্তু শটে তেমন জোর ছিল না! আটকে দিলেন অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক আলেকজান্ডার শ্লেগার। মেসি কি সহজ ভাবে নিলেন?
ম্যাচের শুরু থেকেই অস্ট্রিয়ার বক্সে চাপ তৈরি করছেন আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা। ৩ মিনিটেই গোল করার জায়গায় চলে গিয়েছিলেন মেসিরা।
স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের ৯০ শতাংশ আর্জেন্টিনার সমর্থক। প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ এসেছেন সেমির নাম লেখা জার্সি পরে।
এক গোল দরকার মেসির। তা হলে বিশ্বকাপে তাঁর গোল সংখ্যা হবে ১৭। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। টপকে যাবেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজ়েকে।