Mohun Bagan Super Giant

ম্যাড়মেড়ে ফুটবল খেলে আবার পয়েন্ট নষ্ট মোহনবাগানের, আইএসএলে টপকানো হল না ইস্টবেঙ্গলকে

গোয়া থেকে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে হচ্ছে মোহনবাগানকে। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে শনিবার আইএসএলে মোহনবাগানের ম্যাচ শেষ হল ১-১ অমীমাংসিত অবস্থায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ মে ২০২৬ ১৮:৫৩
Share:

গোলের পর ম্যাকলারেনের উচ্ছ্বাস। যদিও জয় এল না। ছবি: সমাজমাধ্যম।

গোটা ম্যাচে বলার মতো একটা মুভও দেখা গেল না। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করে গেলেন লিস্টন কোলাসো, রবসনেরা। ফলস্বরূপ গোয়া থেকে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে হচ্ছে মোহনবাগানকে। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে শনিবার আইএসএলে মোহনবাগানের ম্যাচ শেষ হল ১-১ অমীমাংসিত অবস্থায়। ফলে পয়েন্ট তালিকায় ইস্টবেঙ্গলকে টপকে শীর্ষস্থান দখল করা হল না মোহনবাগানের। মোহনবাগানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন জেমি ম্যাকলারেন। সমতা ফেরান রনি উইলসন।

Advertisement

ম্যাচের প্রথমার্ধে কার্যত ঘুমপাড়ানি ফুটবল হয়েছে। কোনও দলই বলার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। যদিও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল গোয়া এবং মোহনবাগান দু’দলের কাছেই। শুরুর দিকে মোহনবাগানের খেলার মধ্যে ছন্নছাড়া ভাব লক্ষ করা গিয়েছে। কোনও পাসই ঠিকঠাক হচ্ছিল না। ফুটবলারদের মধ্যে তালমিলের অভাব লক্ষ করা যাচ্ছিল। মোহনবাগানের ফুটবলারদের পায়ে বল ঘোরাফেরা করছিল। যদিও ভাল সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না তারা। গোয়া ভরসা রেখেছিল প্রতি আক্রমণেই।

২২ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে একটি বল পেয়ে দূরপাল্লার শট নিতে গিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসো। তা সোজা গিয়ে লাগে সন্দেশ জিঙ্ঘনের মুখে। এর পর ফের মোহনবাগানের খেলা ঝিমিয়ে যেতে থাকে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় বৃষ্টি শুরু হওয়ার। ক্রমে বৃষ্টির বেগ বাড়তে থাকায় মাঠের ঘাস ভারী হয়ে গিয়েছিল। ফলে দু’দলের ফুটবলারেরাই নিজেদের মতো করে পাস খেলতে পারছিলেন না। সমস্যা বেশি হচ্ছিল মোহনবাগানেরই। কারণ গোয়ার চেয়ে পাস-নির্ভর ফুটবল খেলছিল তারাই। প্রথমার্ধে ম্যাকলারেন এবং রবসনকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। তুলনায় অনেক ভাল খেলেছেন গোয়ার তরুণ ফুটবলারেরা।

Advertisement

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জেসন কামিংস গোলের কাছাকাছি এসে গিয়েছিলেন। কিন্তু গোয়ার গোলকিপার সেই প্রয়াস বাঁচিয়ে দেন। উল্টো দিকে পল মোরেনোও একটি সুযোগ নষ্ট করেন। মোহনবাগান এগিয়ে যায় ৫৫ মিনিটে। মাঝমাঠে শুভাশিস বসু হেডে পাস দিতে গিয়েছিলেন ম্যাকলারেনকে। সেই বল যায় সন্দেশের কাছে। তবে সন্দেশ সেই বল নিয়ন্ত্রণই করতে পারেননি। তা গোয়ার গোলের দিকে এগিয়ে। ম্যাকলারেন সেই বল তাড়া করে ঠান্ডা মাথায় তা জালে জড়িয়ে দেন।

গোলের পর মোহনবাগানের খেলায় আলাদা ঝাঁজ লক্ষ করা যাচ্ছিল। আরও বেশি গোলের তাগিদ দেখা যাচ্ছিল তাদের মধ্যে। লিস্টন একটি দূরপাল্লার শট নিয়েছিলেন। তা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর পর কিছুটা খেলার বিপরীতেই গোল হজম করে মোহনবাগান। ডান দিকে লম্বা বল পেয়েছিলেন রনি। তিনি কর্নারের কাছাকাছি জায়গা থেকে ক্রস তুলেছিলেন। তবে বল ছিল গোলের দিকে। বিশাল কাইথ এগিয়ে এসেছিলেন কিছুটা। পিছিয়ে গেলেও বলের নাগাল পাননি। দ্বিতীয় পোস্টের কোনা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে যায়।

৭১ মিনিটে ম্যাচের সহজতম সুযোগ নষ্ট করেন কামিংস। বাঁ দিক থেকে সাহাল সামাদ পাস দিয়েছিলেন। কামিংসের সামনে কেউ ছিলেন না। চলতি বলে শট নিতে গিয়ে গোলের উপর দিয়ে সেই বল উড়িয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপার। দূর থেকে তা দেখে হতাশায় মাথায় হাত দেন কোচ সের্জিয়ো লোবেরাও। শেষ দিকে আর গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনও দলই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement