ফাইনালের উইকেট তৈরির দায়িত্ব নিয়ে নিল আইসিসি

ইডেনে বিশ্বকাপ ফাইনালিস্টদের সম্ভবত দেওয়া হবে সবুজ উইকেট। তবে ‘গ্রিনটপ’ বলতে যা বোঝায়, তা নয়। উইকেট যাতে সহজে ভেঙে না যায়, সে জন্যই ঘাস রাখা হবে ইডেনের বাইশ গজে। তবে উঠবে প্রচুর রান।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০১৬ ০৪:১১
Share:

ফাইনালের পিচ ‘কেয়ার অফ আইসিসি’। মঙ্গলবার ইডেনে। ছবি:শঙ্কর নাগ দাস

ইডেনে বিশ্বকাপ ফাইনালিস্টদের সম্ভবত দেওয়া হবে সবুজ উইকেট। তবে ‘গ্রিনটপ’ বলতে যা বোঝায়, তা নয়। উইকেট যাতে সহজে ভেঙে না যায়, সে জন্যই ঘাস রাখা হবে ইডেনের বাইশ গজে। তবে উঠবে প্রচুর রান।

Advertisement

মঙ্গলবার আইসিসি-র পিচ উপদেষ্টা অ্যান্ডি অ্যাটকিনসন ইডেনের উইকেট দেখার পর যে ভাবে উইকেটের পরিচর্যার নির্দেশ দিয়েছেন, ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, ৩ এপ্রিল উইকেট সে রকমই দাঁড়াবে।

এ দিন মুম্বই থেকে কলকাতায় এসে ইডেনের উইকেট দেখতে যান অ্যান্ডি। জানা গেল, প্রাথমিক ভাবে উইকেটে দেখে তিনি সন্তুষ্ট হলেও যে ভাবে উইকেটের পরিচর্যা করা হচ্ছে, তা খুব একটা পছন্দ হয়নি তাঁর। সেই জন্যই উইকেটের উপর কখন কতটা রোল করতে হবে, কোন সময় কতটা জল দিতে হবে, কখন কতটা ঘাস ছাঁটতে হবে, তার তালিকা করে দিয়েছেন তিনি। এই তালিকা মেনেই আগামী কয়েকদিন উইকেট পরিচর্যার কাজ করবেন ইডেনের মাঠকর্মীরা। এবং ফাইনাল পর্যন্ত অ্যাটকিনসন নিজেও থাকবেন উইকেট তৈরির দায়িত্বে।

Advertisement

মঙ্গলবার মাঠের মাঝখানে যে উইকেট দেখা গেল, তাকে অবশ্য গ্রিনটপ বলা যায় অনায়াসে। আউটফিল্ড আর উইকেটের মাঝখানে কোনও ফারাক বোঝা যাচ্ছিল না। কিন্তু কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায় বললেন, রোল করতে করতে এই ঘাস আর এতটা সবুজ থাকবে না। তিনি বলেন, ‘‘ঘাস আরও কমবে। কিছুটা রোলিংয়ের জন্য। কিছুটা ছাঁটা হবে। ভাল উইকেটই হবে।’’

ফাইনালের জন্য দুটো উইকেট তৈরি রাখছে সিএবি। যে উইকেটে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ম্যাচ হয়েছিল এবং আরও একটি উইকেট, যেখানে এই বিশ্বকাপে কোনও ম্যাচ হয়নি। পাকিস্তান ওই ম্যাচে দুশোর উপর রান তুলেছিল। অন্যটাতে ক্লাব ম্যাচেও ভালই রান উঠেছে বলে জানালেন সুজন। বোর্ডের পূর্বাঞ্চলীয় কিউরেটর আশিস ভৌমিক বলেন, ‘‘রান ওঠার মতোই উইকেট করতে চাইছে আইসিসি। ফাইনালে সে রকমই হবে বোধহয়।’’

এ দিকে, ভারত উঠবে কি না, তা জানা না গেলেও ৩ এপ্রিলের বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট সব শেষ। কোনও টিকিট কাউন্টার থেকে আর বিক্রি করা হবে না বলে জানিয়ে দিল সিএবি। সব টিকিট তুলে নিয়েছে সিএবি অনুমোদিত ক্লাব ও সংস্থাগুলি। ফলে কাউন্টার থেকে জনসাধারণের জন্য টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। এ কথা জানান, কোষাধ্যক্ষ বিশ্বরূপ দে।

শুধু যাঁরা অনলাইনে টিকিট পাওয়ার জন্য রেজিস্টার করেছেন তাঁদের মধ্যে নির্দিষ্টসংখ্যক মানুষ ও ময়দানের বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা টিকিট পেতে পারেন।

ভারত ফাইনালে উঠতে না পারলে এই টিকিট বাজারে আসবে কি না, জানা নেই। কিন্তু ভারত ফাইনালে উঠলে ফের টিকিট নিয়ে হাহাকার শুরু হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement