Bangladesh General Election

আসনরফা নিয়ে টানাপড়েন জামাতের জোটে, বৈঠকে এল না এক সহযোগী দল, একতরফা ছাড়া হল ৫০টি কেন্দ্র

বাংলাদেশের ‘দ্বিতীয় বৃহত্তম ইসলামপন্থী দল’ হিসেবে পরিচিত ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে আসনরফা নিয়ে টানাপড়েন চলছে জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সহ অন্য ১০ সহযোগীর।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩৪
Share:

জামা্তের দফতরে শরিকি বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত।

জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আসনরফা নিয়ে জট ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি’ (‘জামাত’ নামেই যা পরিচিত)-র নেতৃত্বাধীন জোটে। বৃহস্পতিবার আসনরফা নিয়ে বৈঠকে হাজির হল না বাংলাদেশের ‘দ্বিতীয় বৃহত্তম ইসলামপন্থী দল’ হিসেবে পরিচিত ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের অনুপস্থিতিতেই ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদের ২৫০টিতে একতরফা ভাবে প্রার্থী ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জামাত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং তাদের সহযোগী দলগুলির প্রতিনিধিরা। ৫০টি ছেড়ে রাখা হচ্ছে ইসলামি আন্দোলনের জন্য।

Advertisement

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানাচ্ছে, ঢাকার মগবাজারে জামাতের সদর দফতরে হাজির ছিলেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লা মহম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলের জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মওলানা মামুনুল হক, মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ছিলেন বৈঠকে।

বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতে বা শুক্রবার সকালে আড়াইশো আসনে প্রার্থী ঘোষণা করতে পারে জামাত জোট। গত কয়েক মাস ধরেই গণভোট-সহ বিভিন্ন দাবিতে জামাতের পাশে দাঁড়িয়ে যৌথ ভাবে নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে সাতটি ইসলামপন্থী দল— ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি। আগামী বছরের সংসদ নির্বাচনে তাদের নিয়ে জোট ঘোষণা করেছিলেন জামাত প্রধান শফিকুর রহমান। কিন্তু আসন রফা নিয়ে ক্রমশই দূরত্ব বাড়তে থাকে জামাত এবং ইসলামি আন্দোলনের।

Advertisement

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। গত ১২ ডিসেম্বর থেকেই মনোনয়ন জমা নেওয়া হয়েছে। চলেছে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি হয়েছে মনোনয়ন পরীক্ষার কাজ। মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তগুলির বিরুদ্ধে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করেছেন বাদ পড়া প্রার্থীরা। ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে সেই আপিলগুলির যথার্থতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থিতালিকা প্রকাশ এবং নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করা হবে ২১ জানুয়ারি। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারের পালা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement