২০০৮ সালে শেষ বার কিউয়িদের দেশে গিয়ে একদিনের সিরিজ জিতেছিল ভারত। সেই ইতিহাসই ফিরে এল সোমবার। টানা তিনটি ম্যাচ জিতে সিরিজ জিতল টিম ইন্ডিয়া।
নির্বাসন কাটিয়ে দলে ফিরে শুরুটা ভালই হল হার্দিক পাণ্ড্যর। ৪৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি অসাধারণ ক্যাচে ফেরালেন কেন উইলিয়ামসনকে।
পেসারদের দাপটে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কখনই স্বস্তিতে ছিল না কিউইরা। ২৬ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে ফেরান শামি-ভুবি। উইলিয়ামসনও উইকেটে থাকতে পারেননি বেশি ক্ষণ।
৫৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলকে টেনে তোলেন লাথাম-টেলর। চতুর্থ উইকেটে তাঁরা যোগ করেন ১১৯ রান। মূলত এই পার্টনারশিপই নিউজিল্যান্ডকে ২৪৩-এ পৌঁছে দেয়।
ডেথ ওভারেও ভারতীয় বোলারদের দাপট অব্যাহত ছিল। যে কারণে রস টেলরের ৯৩ রানের লড়াকু ইনিংস সত্ত্বেও আড়াইশো তুলতে পারল না নিউজিল্যান্ড।
মহম্মদ শামির দাপটে সে ভাবে খেলতেই পারেননি কিউইরা। ভারতের সফলতম বোলার মহম্মদ শামি। ৪১ রান দিয়ে ৩ উইকেট পেলেন শামি। পেলেন ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারও।
অধিনায়ক বিরাট কোহালি ৬০ রান করেছেন, রোহিত শর্মা করেছেন ৬২। এ দিন ২৭ বলে ২৮ রান দিয়ে শিখর ধওয়ান ফিরে যাওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে দু’জনে ১১২ রান যোগ করলেন।
ভারতের স্পিনার জুটি এ দিনও সফল। কুলদীপ ভাল বল করলেও উইকেট পাননি। চহাল ৫১ রান দিয়ে পেলেন ২ উইকেট।
মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পরিবর্তে দলে এলেন দীনেশ কার্তিক। হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যার জন্য সোমবার বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মাহিকে। ধোনি শেষ মুহূর্তে বাদ পড়ায় দলে আসেন দীনেশ কার্তিক। ৩৮ বলে অপরাজিত ৩৮ রান করে দলকে সিরিজ জেতান ডিকে।