৪৭ বছর পর সাবেক পারস্য দেশে যেন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! কট্টরপন্থী শিয়া ‘ধর্মগুরু’ পরিচালিত সরকারকে গদি থেকে সরাতে রাস্তায় নেমেছে গোটা দেশের মানুষ। এ-হেন গণআন্দোলন ২১ শতকে ওই উপসাগরীয় দেশে ফেরাবে রাজশাহি? না কি এ বারও ব্যর্থ হবে সেই প্রচেষ্টা? বিক্ষোভকারীদের স্লোগান ও প্রতিবাদের ধরন দেখে জল্পনার আগুনে ঘি ঢালছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। তবে এর উল্টো মতও রয়েছে। কারণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিক্ষুব্ধদের আলোচনায় বসার ডাক দিয়েছেন খোদ দেশের প্রেসিডেন্ট।
নতুন বছরের শুরুতেই প্রবল গণবিক্ষোভের মুখে পড়ে ইরান। এ বারের আন্দোলনের মূল স্লোগান মূলত দুটো, ‘রেজ়া পহেলভি ফিরে আসবেন, এটাই চূড়ান্ত যুদ্ধ’ এবং ‘একনায়কের মৃত্যু চাই’। এর সঙ্গে ১৯৭৯ সালের ইসলামীয় বিপ্লবের একাধিক মিল খুঁজে পাচ্ছেন দুনিয়ার তাবড় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা। ওই সময় ঠিক এ ভাবেই তেহরানের রাজাকে গদি থেকে টেনে নামিয়েছিল ক্ষুব্ধ আমজনতা। তিনি পালাতেই বিদেশ থেকে এসে সাবেক পারস্য মুলুকের হাল ধরেন কট্টরপন্থী শিয়া ‘ধর্মগুরু’ আয়াতোল্লা রুহুল্লাহ খোমেনি।
পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শতাব্দীর ৭০-এর দশকের ইসলামীয় বিপ্লবের পর আর কখনওই ইরান জুড়ে এত বড় গণআন্দোলন দেখা যায়নি। বর্তমানে সাবেক পারস্য দেশের ৩১টি প্রদেশের প্রায় সাড়ে ৩০০-র বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলন। শুধু তা-ই নয়, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৫০ জন, যাঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জন মহিলা। সরকারি ভাবে আটকের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে তেহরান।
ইরানে এ-হেন ভয়ঙ্কর গণআন্দোলনের সূত্রপাত হয় গত ২৮ ডিসেম্বর। ওই দিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছোয় তেহরানের মুদ্রার দাম। ডলারের নিরিখে দাম দাঁড়ায় ১৪.২ লক্ষ রিয়েল। মুদ্রার দামের এই রেকর্ড পতনের খবর প্রকাশ্যে আসতেই ফুঁসে ওঠে পারস্যবাসী। কট্টরপন্থী শিয়া ‘ধর্মগুরু’ পরিচালিত সরকারের দ্রুত বদল চেয়ে বসেন তাঁরা। এর পর থেকে যত সময় গড়িয়েছে ততই অগ্নিগর্ভ হয়েছে ওই উপসাগরীয় দেশ। জানুয়ারির মাঝামাঝি পৌঁছেও জনতার ক্ষোভ প্রশমিত করতে পারছে না সেখানকার সরকার।
ডলারের নিরিখে রিয়েলের দামের বিশাল পতনের পাশাপাশি ইরানবাসীর রাগের নেপথ্যে অবশ্য অন্য অনেক কারণ রয়েছে। প্রথমত, সাবেক পারস্য দেশটির আর্থিক অবস্থা এতটাই খারাপ যে, বর্তমানে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫৭ শতাংশ ভুগছে অপুষ্টিতে। এ ছাড়া আছে তীব্র জ্বালানি সঙ্কট। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে ভোজ্য তেলের জোগান ঠিক রাখার মতো মৌলিক চাহিদা পূরণেও ব্যর্থ হয় সেখানকার সরকার। এগুলিই কট্টরপন্থী শিয়া ধর্মগুরু পরিচালিত প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনতার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত তিন দশকে তেহরানের তখতের ক্ষমতা বদলের চেষ্টা হয়েছে বেশ কয়েক বার। সংবাদমাধ্যম দ্য ইউরেশিয়ান টাইমসের মতে, এর নেপথ্যে মূলত তিনটি ইরানি গোষ্ঠীকে ‘বড় ভূমিকা’ নিতে দেখা গিয়েছে। এ বারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। পর্দার আড়ালে থেকে দিব্যি আন্দোলনকারীদের উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে তারা। সেই তালিকার প্রথমেই আছে ‘পিপলস মুজাহিদিন’ বা ‘মোজাহেদিন-ই-খালক’-এর (এমইকে) নাম। পশ্চিমি দুনিয়ায় সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীটি আবার ‘পিপলস মুজাহিদিন অর্গানাইজ়েশন অফ ইরান’ (পিএমওআই) নামে পরিচিত।
১৯৬০-এর দশকে ইসলামীয় মার্কসবাদী ছাত্র সংগঠন হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে ‘পিপলস মুজাহিদিন’। গোড়ার দিকে স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রবিরোধী একটি বিদ্রোহী সংগঠন হিসাবে কাজ করত তারা। ফলে এই গোষ্ঠীর নেতা-নেত্রীদের আমজনতার নয়নের মণি হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগেনি। ১৯৭৯ সালের ইসলামীয় বিপ্লবের সময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল পিএমওআই। যদিও নতুন সরকার প্রতিষ্ঠার পর তেহরান ছাড়তে হয় তাদের। এর জেরে আর কখনওই পারস্যে ফিরতে পারেননি সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর নেতা-নেত্রীরা।
গত শতাব্দীর ৭০-এর দশকে পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ এবং আমেরিকা বিরোধিতাই ছিল এমইকের জনভিত্তির মূল তত্ত্ব। বিপ্লবের সময় নির্বাসনে থাকা শিয়া ধর্মগুরু খোমেনিকে দেশে ফিরতে সাহায্য করে তারা। কিন্তু কুর্সিতে বসেই তিনি বুঝতে পারেন ইরানকে কিছুতেই ‘ইসলামীয় প্রজাতন্ত্র’-এ পরিণত হতে দেবে না মার্কসবাদী ‘মোজাহেদিন-ই-খালক’। কট্টরপন্থীদের হাতে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ রাখার ব্যাপারেও প্রবল আপত্তি ছিল তাদের। ফলে রাতারাতি সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীটিকে ধ্বংস করার অভিযোগ ওঠে খোমেনির বিরুদ্ধে।
১৯৮১ সালের ২৮ জুন তেহরানের ‘ইসলামিক রিপাবলিক পার্টি’র সদর দফতরে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাতে মৃত্যু হয় দলের মহাসচিব তথা ইরানের প্রধান বিচারপতি মহম্মদ বেহেস্তি, মন্ত্রিসভার চার পূর্ণ ও ১০ উপমন্ত্রী এবং ২৭ জন সাংসদের। ওই ঘটনার দু’দিনের মাথায় ‘মোজাহেদিন-ই-খালক’কে দোষী সাব্যস্ত করেন খোমেনি। সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর উপর শুরু হয় দমন-পীড়ন। সংগঠনটির অধিকাংশ শীর্ষ নেতৃত্বকে ফাঁসিতে ঝোলায় তাঁর সরকার। বাকিরা প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে যান বিদেশে।
১৯৮০ সালের সেপ্টেম্বরে ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হলে খোমেনি সরকারকে উৎখাত করতে বাগদাদের পক্ষ নেয় এমইকে। মাসুদ রাজ়াভির নেতৃত্বে সাবেক পারস্য দেশটির সীমান্তবর্তী এলাকার বেশ কিছু সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় তারা। এর পাশাপাশি তৎকালীন ইরাকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেনের নেকনজরে পড়তে তাঁর ঘরোয়া শত্রুদের গুপ্তহত্যাতেও জড়িত ছিল এমইকে। কিন্তু এতে ফল হয় হিতে বিপরীত। মাত্র এক-দেড় বছরের মধ্যেই তেহরানে যাবতীয় জনভিত্তি হারিয়ে ফেলে ওই গোষ্ঠী।
ইরাকের সঙ্গে লড়াই চলাকালীন এমইকের বিরুদ্ধে ইরানি শহরে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ, এমনকি রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের অভিযোগও উঠেছিল। ফলে পশ্চিম এশিয়ার ওই লড়াইয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ লক্ষ। ২০০৩ সালে মার্কিন ফৌজ বাগদাদ আক্রমণ করলে এমইকের কপালে জোটে ওয়াশিংটনের দেওয়া সন্ত্রাসবাদীর তকমা। সেই দাগ মুছে ফেলতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহলের অন্দরে লাগাতার লবিং করে গিয়েছে তারা। পাশাপাশি, নিয়েছে ২০১২ সালে তেহরানের পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দোষও।
২০০৯ সালে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর তালিকা থেকে এমইকের নাম বাদ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক হুসেন ওবামার শাসনকালে আলবেনিয়ায় সদর দফতর তৈরির অনুমতি পায় ওই ইরানি সংগঠন। সালটা ছিল ২০১২। ইউরোপের বলকান এলাকায় স্থানান্তরিত হয়ে শুধুমাত্র নামটুকু বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছে এমইকে। তেহরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে আর তাদের সে ভাবে নাক গলাতে দেখা যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীটির সন্ত্রাসবাদী তকমা হারানোর বছরেই সবুজ বিপ্লবকে কেন্দ্র করে ফের অগ্নিগর্ভ হয় সাবেক পারস্য দেশ।
২০০৯ সালে ইরানি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ছিল বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ওই বছর কট্টরপন্থী মাহমুদ আহমাদিনেজ়াদ ফের ভোটে জিততেই সাবেক পারস্য দেশে শুরু হয় তুমুল গণবিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, নির্বাচনে কারচুপি করে দ্বিতীয় বারের জন্য কুর্সি পাচ্ছেন আহমাদিনেজ়াদ। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারকে ধ্বংস করতে চান তিনি। তেহরানের কট্টরপন্থী ধর্মগুরুরা অবশ্য এ সব কথাকে কানেই তোলেননি। কঠোর দমননীতির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আন্দোলনকে শেষ করে দেন তাঁরা। সেটা ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল।
তেহরানের ‘সবুজ বিপ্লব’-এর মুখ ছিলেন মীর হুসেন মুসাভি। আন্দোলনের গোড়াতেই তাঁকে গৃহবন্দি করে ইরানি সরকার। বিক্ষোভকারী বাকি নেতা-নেত্রীদের দ্রুত জেলে পোরে প্রশাসন। তাঁদের একাংশকে চড়ানো হয় ফাঁসিতে। বিচারের জন্য সেই সময় সাবেক পারস্য দেশে সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছিল সালিশি সভা। এ ভাবে দমননীতিতে সবুজ বিপ্লব ব্যর্থ হতেই পশ্চিমি দুনিয়াকে বার্তা দেয় ইরান। কোনও অবস্থাতেই যে তাদের মতাদর্শকে জায়গা দেওয়া হবে না, এর মাধ্যমে তা স্পষ্ট করে তেহরান।
১৯৮৯ সালে মৃত্যু হয় ইসলামীয় বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসায় শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) খোমেনির। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই। কুর্সিতে বসে তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকা আধা সেনা ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ বা আইআরজিসিকে আরও শক্তিশালী করেন তিনি। এই ফৌজের হাতেই আছে দেশের ব্যালেস্টিক এবং হাইপারসনিক (শব্দের পাঁচ গুণের চেয়ে গতিশীল) ক্ষেপণাস্ত্রের ভান্ডার। এ ছাড়া আত্মঘাতী ড্রোনের একটা বিশাল বহর আছে আইআরজিসির কাছে।
বিশ্লেষকদের দাবি, এ-হেন খামেনেইকে গদি থেকে সরানো একেবারেই সহজ নয়। কারণ, গত শতাব্দীর ৮০-র দশকে তাঁর নেতৃত্বেই ইরাকি আক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম হয়েছিল তেহরান। তা ছাড়া আমজনতাকে পরমাণু হাতিয়ার তৈরির স্বপ্নও দেখাতে পেরেছেন তিনি। ইহুদিদের বিরুদ্ধে বিষ ছাড়ানোর দুর্দান্ত বাকচাতুর্য আছে তাঁর। ইজ়রায়েলকে ‘ছোট’ এবং আমেরিকাকে ‘বড় শয়তান’ বলে প্রায়শই উল্লেখ করে থাকেন খামেনেই। এককথায় গণবিক্ষোভ দানা বেঁধে উঠলেও তাঁর জনপ্রিয়তা সাবেক পারস্য মুলুকে নেহাত কম নয়।
ইসলামীয় বিপ্লবের সময় কুর্সিতে ছিলেন ইরানের শেষ রাজা মহম্মদ রেজ়া পহেলভি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল খুবই মধুর। তাঁর হাত ধরেই সাবেক পারস্য দেশে ঢুকে পড়ে পশ্চিমি সংস্কৃতি। যথেষ্ট স্বাধীনতা পান সেখানকার মহিলারা। এই নিয়েই কট্টরপন্থীদের সঙ্গে তুঙ্গে ওঠে বিবাদ। স্বৈরাচারী রাজা ইসলামীয় রীতিনীতি ধ্বংস করছেন বলে রাস্তায় নামেন তাঁরা। এর জেরে ’৭৯ সালে ক্ষমতা হারিয়ে বিদেশে চলে যেতে হয় তাঁকে। ঠিক তার পরের বছরই (পড়ুন ১৯৮০ সালে) মিশরের রাজধানী কায়রোয় মৃত্যু হয় তাঁর।
ইরানের শেষ শাহের (রাজা) ছেলে রেজ়া পহেলভি দীর্ঘ দিন ধরেই থাকছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সাবেক পারস্য দেশে ক্ষমতাবদলের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় নতুন করে সেখানে ফেরার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ করতে তাঁকে আহ্বান জানান ‘নির্বাসিত’ রাজপুত্র। সম্প্রতি ফক্স নিউজ়কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কী ভাবে উপসাগরীয় দেশটিতে গণতন্ত্র ফিরতে পারে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
অন্য দিকে হাত-পা গুটিয়ে বসে নেই তেহরানের বর্তমান সরকারও। গত ১১ জানুয়ারি এই ইস্যুতে মুখ খোলেন ইরানি প্রেসি়ডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বলেন, ‘‘আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল দাঙ্গাবাজদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তবে আমরা ওঁদের (বিক্ষোভকারী) সঙ্গে আলোচনার টেবলে বসব। এটা আমাদের কর্তব্য। আমরা ওঁদের সমস্যার সমাধান করব।’’
৪৭ বছর আগে ইসলামীয় বিপ্লবের পর কট্টরপন্থী শিয়া ধর্মগুরু পরিচালিত একটি সরকার পায় ইরান। এর মাথায় আছেন খামেনেইয়ের মতো ‘সর্বোচ্চ নেতা’। সেখানে গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত পেজেশকিয়ানেরা তাঁর নির্দেশ মানতে বাধ্য। সাবেক পারস্য দেশে ফের রাজতন্ত্র ফিরলে কতটা বদল হবে এই অবস্থার, না কি পুরোপুরি পশ্চিমি দুনিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে তেহরান? উত্তর দেবে সময়।