প্রধান শক্তি অবশ্যই বোলিং। স্পিনের পাশাপাশি পেস বোলারদের উপর নির্ভর করে দল গঠন করেছে কেকেআর। তাও ব্যাটিং শক্তিকে একেবারে অবহেলা করা চলে না। বেশ কয়েক জন দুর্দান্ত ব্যাটসম্যান আছেন দলে। একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক নাইটদের ব্যাটিং শক্তির দিকে।
রবীন উথাপ্পা: ভারতীয় দল তো বটেই, ঘরোয়া প্রথম শ্রেণিতেও তেমন ভাবে দেখা যাচ্ছে না। এক সময় জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন। কিন্তু এখনও নাইট সংসারের তিনি অন্যতম সদস্য। বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন। দলে থাকলে হয়ত ওপেনার হিসেবেই তাঁকে বাছবেন অধিনায়ক।
সুনীল নারিন: ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই স্পিনারটি কেকেআর-এর বড় সম্পদ। বলের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকর ভূমিকা নিতে দেখা যায় তাঁকে। গত বার ১৬টি ম্যাচে ৩৫৭ রান করেছিলেন, নিয়েছিলেন ১৭টি উইকেট। প্রয়োজনে ইনিংস শুরু করার ক্ষমতা আছে। দ্রুত রান করতে পারেন।
ক্রিস লিন: অজি ক্রিকেটারটি নিঃসন্দেহে কেকেআর-এর বড় ভরসা। দ্রুত রান করার ক্ষেত্রে লিনের বিকল্প খুব কমই আছেন। উপরি পাওনা তাঁর অসাধারণ ফিল্ডিং।
নিতীশ রাণা: পর পর দু’বারই আইপিএল-এ নজর কেড়েছেন। ২০১৮ তে কেকেআর-এর অন্যতম ভরসার ক্রিকেটার ছিলেন। ১৫ ম্যাচে ৩০৪ রান করেছিলেন। এ বছরও রাণার দিকে দলের বিশেষ নজর থাকবে।
শুভমান গিল: তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার। নির্বাচকদের সুনজরে রয়েছেন। টি২০ ম্যাচে তিন নম্বরের জন্য গিলকে ভাবা যেতেই পারে। গত বার নাইটদের হয়ে ১৩টি ম্যাচে ২০৩ রান করেছিলেন। সম্প্রতি ভারতীয় দলেও সুযোগ পেয়েছেন।
দীনেশ কার্তিক: কেকেআর-এর অধিনায়ক কার্তিক এই মুহূর্তে টি২০তে অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। গত বার ১৬টি ম্যাচে করেছিলেন ৪৯৮ রান।
আন্দ্রে রাসেল: টি২০-র অন্যতম ভয়ঙ্কর ক্রিকেটার। বল-ব্যাট দু’য়েতেই সমান দক্ষ। যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। গত আইপিএল-এ ১৬ ম্যাচে ৩১৬ রান করেছিলেন।
নিখিল নায়েক: এখনও তেমন ভাবে আইপিএলে সুযোগ পাননি। মাত্র দু’টি ম্যাচ খেলেছেন আইপিএলে।
জো ডেনলি: টি ২০তে বেশ চমক সৃষ্টি করেছেন। ভিটালিটি ব্লাস্ট -এ গত বছর করেছিলেন ৪০৯ রান। স্ট্রাইক রেট ১৪৫-এর উপর। বল-ব্যাট উভয় দিক থেকে দলের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা নিতে পারেন।
রিঙ্কু সিংহ: দলের এক তরুণ সদস্য। মাত্র চারটি আইপিএল ম্যাচ খেলেছেন। যদিও সম্প্রতি লখনউয়ে রঞ্জি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে উত্তরপ্রদেশের হয়ে মাঠে নেমে ১৫০ রান করেন ১৮১ বল খেলে