মাস দু’য়েকের টুর্নামেন্ট। তার মধ্যেই কেউ হয়ে যান হিরো। কেউ বা আশা জাগিয়েও হারিয়ে যান স্পটলাইট থেকে।
শেন ওয়ার্নের নেতৃত্বে রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে ২০০৯ সালে নিজের প্রথম আইপিএলেই সাড়া জাগিয়েছিলেন কামরান খান। তাঁকে ভবিষ্যতের তারকা বলেছিলেন স্বয়ং শেন ওয়ার্ন।
সেই সময় রাজস্থানের টিম ডিরেক্টর ড্যারেন বেরি স্কাউট ক্যাম্প থেকে আবিষ্কার করেছিলেন কামরানকে।
ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার গতিতে অদ্ভুত অ্যাকশনে বল করতেন এই পেসার।
দু’বছর রাজস্থানের হয়ে খেলার পর ২০১১-তে পুণে ওয়ারিয়র্সয়ের হয়েও মাঠে নেমেছিলেন।
তবে পুণের হয়ে খেলার সময় সেই বোলিং অ্যাকশনই সমস্যায় ফেলেছিল এই বাঁ-হাতি পেসারকে।
আম্পায়ার রুডি কোর্ৎজেন ও গ্যারি বাক্সটার প্রথম লক্ষ্য করেন বিষয়টি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৩০ এপ্রিল ছিল সেই খেলা। আইপিএলের টেকনিক্যাল কমিটি, টিভি আম্পায়ার আমেস সাহেবা ভিডিয়ো ফুটেজ রিভিউ করেন।
সুনীল গাওস্কর, রবি শাস্ত্রী, আইপিএল কমিশনার ললিত মোদী (কনফারেন্স কলের মাধ্যমে) যোগ দেন বৈঠকে। দল থেকে বাদ পড়েন কামরান।
আইপিএল থেকে ছিটকে গিয়ে কিছু দিন ২৮ বছরের কামরান হায়দরাবাদের স্থানীয় ক্লাবে খেলেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের এই ক্রিকেটার বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা। তিনি এই মূহূর্তে ভাইয়ের খেতে চাষ করেন।
ভারতের তরুণ প্রতিভাদের তুলে আনে আইপিএল। কিন্তু কামরান মাঠে কাজ করছেন, খেলছেন না, এটা অত্যন্ত হতাশাজনক। একটি টুইটার পোস্টে এ নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছেন শেন ওয়ার্ন।
কামরান যদিও বলেছেন, তাঁর কাজ নিয়ে কেউ ঠাট্টা করলে তিনি আজকাল পাত্তা দেন না। এখনও তিনি সকাল ও সন্ধ্যায় ক্রিকেট অনুশীলন করেন। বাকি সময় খেতের কাজ করেন। খুব একটা কারও সঙ্গে মেশেনও না।