National Sports Policy 2025

জাতীয় ক্রীড়ানীতি ২০২৫-এ অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, লক্ষ্য ক্রীড়াক্ষেত্রের সার্বিক কাঠামো বদল

নতুন জাতীয় ক্রীড়ানীতিতে মূল বিষয় ছ’টি। ক্রীড়াজগতে শক্তিশালী হয়ে ওঠা এবং অলিম্পিক্সের মতো বড় প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে নতুন নীতি। খেলাধুলাকে গণআন্দোলনে পরিণত করতে চায় কেন্দ্র।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৫ ২২:৩৭
Share:

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। —ফাইল চিত্র।

জাতীয় ক্রীড়ানীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের লক্ষ্যে পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নীতিতে মঙ্গলবার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ২০০১ সালের নীতি বাতিল করে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়ানীতি ২০২৫র লক্ষ্য, ভারতকে ক্রীড়াজগতে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা এবং অলিম্পিক্সের মতো বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন।

Advertisement

ক্রীড়াক্ষেত্রের সার্বিক কাঠামো বদলের লক্ষ্যে জাতীয় ক্রীড়ানীতিতে মূল বিষয় রয়েছে ছ’টি।

১) আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাফল্য

Advertisement

তৃণমূল স্তর থেকে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত আরও নির্দিষ্ট এবং উন্নত কর্মসূচি গ্রহণ। প্রাথমিক স্তরে প্রতিভাবানদের চিহ্নিত করে লালন-পালন করা। প্রতিযোগিতামূলক লিগ বা প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং প্রচার। গ্রাম-শহরের ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়ন। খেলোয়াড় এবং কোচদের প্রশিক্ষণের জন্য বিশ্বমানের ব্যবস্থা এবং সহায়তা। জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুশাসিত পরিচালনা। ক্রীড়া বিজ্ঞানের উন্নতি। খেলোয়াড়দের চোট-আঘাতের চিকিৎসার সুবিধা বৃদ্ধি। নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে খেলাধুলোয় সার্বিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি। ক্রীড়া সংগঠক, কোচ, টেকনিক্যাল স্টাফ, সাপোর্ট স্টাফদের প্রশিক্ষণ এবং নতুনদের উৎসাহিত করা।

২) খেলাধুলার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি

ক্রীড়া পর্যটনে উৎসাহ দেওয়া। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজন। ক্রীড়াক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন উদ্যোগপতিদের সাহায্য করা। সরকারি-বেসরকারি সাহায্য নিশ্চিত করা। বেসরকারি সংস্থাগুলিকে আরও বিনিয়োগে উৎসাহিত করা।

৩) সামাজিক উন্নয়নের জন্য খেলাধুলা

মহিলা, উপজাতি সম্প্রদায়, বিশেষভাবে সক্ষম ও অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকাদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা। দেশের ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা। প্রবাসী ভারতীয়দের এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। খেলাধুলার মাধ্যমে বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

৪) খেলাধুলাকে গণআন্দোলনের রূপ দেওয়া

দেশ জুড়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার প্রচার ও ফিটনেস নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। স্কুল, কলেজ, কর্মস্থলে ফিটনেসের উপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে। সকলের কাছে ক্রীড়া পরিকাঠামো পৌঁছে দিতে হবে।

৫) জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে খেলাধুলা যুক্ত করা

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০তে খেলাধুলাকে যুক্ত করা হবে। বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের খেলাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

৬) কৌশলগত কাঠামো তৈরি

দেশ জুড়ে শক্তিশালী ক্রীড়া প্রশাসন গড়ে তোলা।বেসরকারি সাহায্যেএআই-সহ বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণাএবং তথ্য বিশ্লেষণের কাজ করতে হবে।কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে সব রাজ্যের জন্য মডেল তৈরি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement