তাঁর দল অবনমনের আশঙ্কায়। এই পরিস্থিতির মধ্যেও পুরনো দলের প্রতি ভালবাসা গেল না উগা ওপারার। ইস্টবেঙ্গল মাঠে টালিগঞ্জের হয়ে খেলতে এসেও বলে গেলেন, ‘‘ইস্টবেঙ্গল ছ’বার লিগ জিতেছে তাই অভিনন্দন। আমি চারটে লিগজয়ী মরসুমে ছিলাম। সমর্থকদের ভালবাসি। এখনও অনেক বন্ধু আছে এখানে।’’
তবে ওপারার বর্তমান দল এ দিন কালীঘাট মিলন সঙ্ঘের বিরুদ্ধে জেতা ম্যাচ ১-১ ড্র করল। অসীম বিশ্বাসের গোলে ১-০ এগোলেও ম্যাচ শেষের ঠিক আগেই সমতায় ফেরে কালীঘাট। আট ম্যাচ খেলে টালিগঞ্জের পয়েন্ট দাঁড়াল ছয়। অন্য ম্যাচে বারাসত স্টেডিয়ামে খেলা রঘু নন্দীর পুলিশ ৪-২ জিতল ছেলে রাজদীপ নন্দীর এরিয়ানের বিরুদ্ধে। ফলে এখন ন’ম্যাচে ১৩ পয়েন্টে বসে থাকা পুলিশ নতুন করে লাইফলাইন পেল।
গত ম্যাচে গড়াপেটার অভিযোগ ওঠা টালিগঞ্জ এ দিন চেনা ছন্দেই ছিল না। অসীম বিশ্বাস একটার পর একটা সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ড্র করে আবার টালিগঞ্জের তোপ চলে গেল রঘু নন্দীর দিকে। ড্রেসিংরুমে চলল একে অপরকে দোষারোপও। সুভাষ ভৌমিকের মুখে কুলুপ ছিল। দলের সহকারী কোচ বিশ্বজিৎ বিশ্বাস আশা ছেড়ে বলেই দিলেন, ‘‘আমাদের আর কোনও সুযোগ নেই।’’ তবে পুলিশ যদি শেষ ম্যাচ হারে সে ক্ষেত্রে টালিগঞ্জ দু ম্যাচে দুটো জিতলে ১২ পয়েন্টে পৌঁছাবে। নজর থাকবে মোহনবাগান ম্যাচের পয়েন্টের দিকে। যা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি আইএফএ।