জোড়া লাল কার্ড

ডেম্পসে জাদুতে কোপার প্রথম সেমিফাইনালিস্ট ইউএসএ

গোল করলেন, গোল করালেন। দলকে তুললেন সেমিফাইনালে। ডিম্পসে জাদু না হলে এই ম্যাচের আলোচ্য বিষয় অবশ্যই হত দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জোড়া লাল কার্ড। বাকি ৩৮ মিনিট দুই দলই খেলল ১০ জনে।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০১৬ ২২:০০
Share:

ছবি: এপি।

ইউএসএ ২ (ডেম্পসে,জার্দেস)

Advertisement

ইকুয়েডর ১ (অ্যান্তোনিও)

গোল করলেন, গোল করালেন। দলকে তুললেন সেমিফাইনালে। ডিম্পসে জাদু না হলে এই ম্যাচের আলোচ্য বিষয় অবশ্যই হত দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জোড়া লাল কার্ড। বাকি ৩৮ মিনিট দুই দলই খেলল ১০ জনে। ইকুয়েডরের অ্যান্তোনিও ভ্যালেন্সিয়া আগেই হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। জোড়া হলুদ কার্ডে মাঠ ছাড়লেন তিনি। সরাসরি লাল কার্ড দেখলেন ইউএসএ-র জেরেমি জোনস। সমানে সমানে আবার শুরু হল খেলা। কিন্তু জিতে শেষ হাসি হাসল হোম টিমই।
শুরুটা করে দিয়েছিলেন ক্লিন্ট ডেম্পসেই। ২২ মিনিটে যখন ডেম্পসের মাপা হেড চলে গেল ইকুয়েডর গোলে। তার আগেই ক্রসপিসে লেগে ফিরেছে বল। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে খেলল ইউএসএ। ১৯৯৩ এর কোপার গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। এই নিয়ে এই টুর্নামেন্ট দ্বিতীয়বার দেখা হল। সেবার কোপার আসর বসেছিল ইকুয়েডরে। হারতে হয়েছিল ইউএসএকে। এবার এগিয়ে বাজিমাত আয়োজকদের।
এদিকে গোল হজম করে প্রথমার্ধের শেষে চাপ দিতে চেয়েছিল ইকুয়েডর। কিন্তু গোলের মুখ খুলতে পারেনি। ৬৫ মিনিটে আবারও গোল করে এগিয়ে যায় ইউএসএ। বক্সের মধ্যেই হেডে বল পেয়ে গিয়েছিলেন জার্দেস। কিন্তু তিনি সরাসরি গোলে না রেখে সেই বল পাঠিয়ে দিয়েছিলেন ডেম্পসের কাছে। ততক্ষণে ফাঁক তৈরি হয়ে গিয়েছে ইকুয়েডর রক্ষণে। সেই সুযোগেই ডেম্পসের ছোট্ট ক্রস থেকেই চলতি বলে জার্দেসের শট চলে যায় গোলে। এগিয়ে এসেছিলেন গোলকিপার। কিন্তু ইকুয়েডর দূর্গ সামলাতে পারেননি।
৭৪ মিনিটে মাইকেল অ্যান্তোনিও ইউএসএ গোলে বল পাঠিয়ে সাময়িক আশা দেখালেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। ক্রসপিস বাঁধা না হলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত ইউএসএ-র পক্ষে। আর্জেন্তিনা-ভেনেজুয়েলার মধ্যে যে জিতবে তার বিরুদ্ধেই সেমিফাইনালে খেলতে হবে ইউএসএকে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement