গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলিয়ে ফুটবলারদের বন্ধু হওয়াটাই চ্যালেঞ্জ

মোহনবাগানের সঙ্গে কাজ করেছেন একটা সময়। পেশাদার ফুটবলারদের দেখেছেন কাছ থেকে। মনোবিদের উপস্থিতি কী ভাবে সাহায্য করতে পারে ফুটবলারদের? বিশিষ্ট মনোবিদ পারমিতা মিত্র ভৌমিক যা বললেন...

Advertisement

পারমিতা মিত্র ভৌমিক

শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০১৪ ০৫:০৯
Share:

• মনোবিদের প্রধান কাজ দলকে মোটিভেট করে টিম স্পিরিট ঠিক রাখা। যাতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকলেও সেটা ভুলে ফুটবলাররা মাঠে একজোট হয়ে লড়ে। ভুল যারই হোক, দোষারোপের রাস্তায় না হেঁটে দায়টা সবাইকে ভাগ করে নিয়ে সংহতি ঠিক রাখতে হবে।

Advertisement

• প্রত্যেক ফুটবলারের চাপ নেওয়ার ক্ষমতা, মানসিক দুর্বলতা এবং শক্তির জায়গা আলাদা। স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এগুলো মাথায় রেখে করা হয়। যাতে ফুটবলার আপনাকে বন্ধু ভেবে নির্ভয়ে মনের সব সমস্যা খুলে বলতে পারে।

• সিনিয়র ফুটবলাররা অনেকে মনে করেন, মনোবিদ এলে কী উপকার হবে। একটা মানসিক প্রতিরোধ তৈরি হয়। সেটা দূর করতে হবে। মনোবিদ ফুটবল শেখাতে যাবে না। তবে চাপ সামলানো সহজ করতে ফুটবলারের হাতে জরুরি অস্ত্রগুলো তুলে দেব।

Advertisement

• মনোবিদ সেই নেতা যিনি যে কোনও পরিস্থিতিতে দলকে ইতিবাচক থেকে জেতার স্ট্র্যাটেজিতে মনঃসংযোগ করতে শেখান। যাতে আগের ব্যর্থতার প্রভাব দলের পরবর্তী পারফরম্যান্সে পড়তে না পারে।

• মনোবিদকে দলের প্রত্যেকের আস্থা অর্জন করার সময় দিতে হবে। এই ইন্টিগ্রেশন সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। অন্তত মাস খানেক তো লাগেই। ইংল্যান্ডের মনোবিদ বিশ্বকাপের আগে খুব বেশি সময় পাচ্ছেন না। তবু বলব, ব্যাপারটা নেই মামার থেকে কানা মামা ভাল-র মতো হয়েছে।

Advertisement

• স্ত্রী বা বান্ধবী নিয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম থাকা উচিত নয়। কেউ কেউ এতে উদ্বুদ্ধ হন, কারও উপর আবার প্রভাবই পড়ে না। সবটাই নির্ভর করে প্লেয়ারের ব্যক্তিত্ব এবং ফোকাস করার ক্ষমতার উপর। যার সমস্যা থাকবে, সে পানশালায় গিয়ে মাতাল হয়ে বা জুয়া খেলেও ফোকাস হারিয়ে বসবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement