ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের কথা বিশ্বের বাকি মানুষজন প্রায় ভুলেই গেছেন। কিন্তু সেই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ এখনও অব্যাহত। তা আমরা ভুলে গেলেও, ইউক্রেনের মানুষজন চেয়েও ভুলতে পারছেন না। ২০২২ সাল থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত বার বার অবসানের চেষ্টা করেছে আমেরিকা-সহ বিভিন্ন দেশ। তবে এখনও তা বাস্তবায়িত হয়নি। ইউক্রেনের উপর হামলা করার ‘অপরাধে’ বিশ্বের অনেক দেশই রাশিয়ার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। অবোলা প্রাণীগুলিও যুদ্ধের মাসুল গুনছে। রাশিয়ার ইউক্রেনের উপর করা হামলার নানা ভিডিয়োই সমাজমাধ্যমের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যাচ্ছে। তবে এ বার সামনে এল একটি মন ভাল করা ভিডিয়ো। ধ্বংসপ্রাপ্ত জায়গা থেকে ড্রোনের মাধ্যমে উদ্ধার করা হল এক বিড়াল এবং কুকুরকে। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের কুপিয়ানস্কের কাছ থেকে বিড়াল এবং কুকুরটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মেঝের উপর পড়ে রয়েছে দু’টি বস্তা। এক ইউক্রেনীয় সেনা গিয়ে সেটি খুলতেই বেরিয়ে এল একটি কুকুর। কুকুরটি ছলছল চোখে সেনার দিকে তাকাল। মনভরে আদরও খেল। তার পর খোলা হল দ্বিতীয় বস্তা। সেখান থেকে বেরোল একটি বিড়াল। বিড়ালটি আশপাশ ভাল করে দেখে বোঝার চেষ্টা করল যে সে এখানে আদৌ নিরাপদ কি না। তার পর সেনারা তার উপর আদরের বর্ষণ ঘটাল। মন ভাল করা সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
জানতে পারা গিয়েছে, সম্মুখসমরে থাকা সেনাদের কাছে যে ড্রোনের সাহায্যে খাবার পাঠানো হয়, সেটি দিয়েই বিড়াল এবং কুকুরটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার পর তাদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বিড়াল এবং কুকুরটিকে বস্তায় ঢুকিয়ে ড্রোনে তুলে আনা হয়েছে। প্রায় ১২ কিলোমিটার উড়িয়ে অবোলা প্রাণী দু’টিকে সুরক্ষিত স্থানে পৌঁছোনো হয়েছে। এতে যে ঝুঁকি ছিল তা নয়, কিন্তু প্রাণী দু’টিকে সেখানে ফেলে আসার কোনও প্রশ্নই ছিল না বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় সেনারা।
‘ডেইলি মেল’ তাদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করেছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৪ হাজারের কাছাকাছি নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নানা মন ভাল করা মন্তব্যে ভরে গিয়েছে মন্তব্যবাক্স। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘আমি প্রার্থনা করি সমস্ত যুদ্ধ যেন থেমে যায়।’’ অপর এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘অন্ধকারে আশার আলো।’’