ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
কানে ইয়ারফোন গুঁজে চেয়ারে বসে রয়েছেন শিক্ষিকা। চোখে-মুখে রাগ এবং বিরক্তির ছাপ। সামনে টেবিলের উপর একটি খাতা গোছের জিনিস রাখা থাকলেও, শিক্ষিকার মন গল্পে মশগুল। পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে স্কুলের ইউনিফর্ম পরিহিত কিশোর। তবে সে দিদিমণিকে কিছু বলার জন্য দাঁড়িয়ে নেই। কিশোরের ছোট্ট ঘাড়ে চাপানো হয়েছে দিদিমণিকে হাওয়া করার মতন বড় দায়িত্ব। হাতপাখা ঘুরিয়ে হাওয়া করেই যাচ্ছে সে। মধ্যপ্রদেশের রেওয়ায় অবস্থিত সরকারি স্কুলের সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, চেয়ারে বসে রয়েছেন এক শিক্ষিকা। তার সামনে থাকা টেবিলের উপর রাখা রয়েছে একটি খাতা। হাতে পেন নিয়ে মাঝেমধ্যে তিনি সেই খাতার পাতা উল্টে দেখছেন। তবে বেশির ভাগ সময়টাই গল্প করে কাটাচ্ছেন। শিক্ষিকার ঠিক পাশেই তালপাতার তৈরি একটা পাখা হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক কিশোর। সে ক্রমাগত হাতপাখা নাড়িয়ে শিক্ষিকাকে হাওয়া করে চলেছে। মাঝেমধ্যে পাখাটা এক হাত থেকে অন্য হাতে নিচ্ছে, কখনও আবার হাওয়া করার ভঙ্গি বদলাচ্ছে। কিশোরের চোখে-মুখে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট। কিন্তু তার কাছে হাওয়া করা থামানোর উপায় নেই। পাছে দিদিমণি বকা দেন। শিক্ষিকার খাতা দেখার কাজ হয়ে গেলে তিনি সেই কিশোরের হাত দিয়ে খাতাটি পাঠিয়ে দিলেন। কিশোরও হাতপাখা টেবিলে নামিয়ে রেখে তাঁর আদেশমতো খাতা নিয়ে চলে গেল। শিক্ষিকার ছাত্রের সঙ্গে করা এ-হেন আচরণের ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
‘শিব ঠাকুর’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন। নেগাগরিকেরা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। মন্তব্যবাক্স ভরে গিয়েছে নিন্দামূলক মন্তব্যে। এক নেটাগরিক লিখেছেন, “এই শিক্ষিকাকে শীঘ্রই বরখাস্ত করা উচিত।”