—প্রতীকী ছবি।
মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপ্ল-সহ অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মাত দিতে ‘গ্যালাক্সি এস২৬’ সিরিজ়ের স্মার্টফোন বাজারে এনেছে স্যামসাং। বিশ্লেষকদের দাবি, মাত্র এক প্রজন্মের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটিকে ভিতরে থেকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে নির্মাণকারী দক্ষিণ কোরীয় সংস্থা। যদিও বাইরে থেকে দেখলে ‘গ্যালাক্সি এস২৫’-এর সঙ্গে এর কোনও অমিলই খুঁজে পাবেন না গ্রাহক।
এস২৬ সিরিজ়ের স্মার্টফোনের নকশা এবং বহিরঙ্গে কোনও পরিবর্তন কেন করা হয়নি, আনুষ্ঠানিক ভাবে তার জবাব দেয়নি স্যামসাং। তবে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলিকে কৃত্রিম মেধা সম্পন্ন করেছে তারা। ফলে এস২৬ সিরিজ়ে এজেন্টিক এআইয়ের (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) স্বাদ পাবেন ব্যবহারকারী। তা ছাড়া দুনিয়ার সেরা হার্ডঅয়্যারে স্মার্টফোনগুলিকে তৈরি করেছে নির্মাণকারী দক্ষিণ কোরীয় সংস্থা।
এত দিন পর্যন্ত ক্যামেরার জায়গায় যথেষ্ট দুর্বল ছিল স্যামসাং। তাদের ফোনে কম আলোয় মোটেই ঝকঝকে ছবি তোলা সম্ভব হচ্ছিল না। সেই সমস্যা মেটাতে স্মার্টফোন ক্যামেরার সেন্সরের আকার বড় করেছে স্যামসাং। তবে এস২৬ সিরিজ়ের সেরা আকর্ষণ হল ‘প্রাইভেসি ডিসপ্লে’। অর্থাৎ, এ বার গ্রাহকের গোপনীয়তার অধিকার রক্ষায় গুরুত্ব দিয়েছে এই বহুজাতিক দক্ষিণ কোরীয় সংস্থা।
আমজনতার অনেকেরই ধারণা ‘প্রাইভেসি ডিসপ্লে’ আলাদা কিছু নয়। যে কোনও স্মার্টফোনে বাইরে থেকে ১০০ টাকার ফিল্ম লাগিয়ে এই সুবিধা পেতে পারেন গ্রাহক। যদিও বাস্তব একেবারেই আলাদা। কারণ, ‘প্রাইভেসি ডিসপ্লে’র ক্ষেত্রে হার্ডঅয়্যার স্তরে কাজ করেছে স্যামসাং। ফলে কোনও সফ্টঅয়্যার আপডেটের মাধ্যমে এর পরিবর্তন দেখতে পাবেন না গ্রাহক।
গ্যাজেট বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং ব্যবস্থায় এর আগে কেউই তৈরি করতে পারেনি ‘প্রাইভেট ডিসপ্লে’। সে দিক থেকে বাজারে নতুন এই প্রযুক্তি স্যামসাঙেরই আমদানি। আগামী দিনে অন্যান্য স্মার্টফোন নির্মাণকারী সংস্থাগুলি একই রাস্তা ধরে কি না, সেটাই এখন দেখার।