—প্রতীকী ছবি।
বেশ রাত করেই একটি অর্ডার ডেলিভারি করার নির্দেশ পেয়েছিলেন অ্যাপনির্ভর পণ্য সংস্থার কর্মী। তিন প্যাকেট ইঁদুরের বিষের অর্ডার পেয়ে ঠিকানায় চলে যান। তবে বাড়িতে পৌঁছোনোর পর তিনি বুঝতে পারেন যে কিছু একটা গোলমাল রয়েছে। যে মহিলা দরজা খুলেছিলেন তাঁকে দেখে বিধ্বস্ত বলে মনে হয়েছিল সরবরাহকর্মীর। তা দেখে কর্মী একটি সিদ্ধান্ত নেন। কর্মী তাঁর সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন একটি ভিডিয়োয়। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর ১০ মিনিটের মধ্যে পণ্য সরবরাহ সংস্থার এক কর্মী জানাচ্ছেন কী ভাবে তিনি গ্রাহককে নিজের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার হাত বিরত করেছিলেন। কর্মী ভিডিয়োয় জানিয়েছিলেন মোট তিনটি ইঁদুর মারার বিষ অর্ডার করেছিলেন এক গ্রাহক। গ্রাহকের ঠিকানায় পৌঁছোনোর আগে তাঁর কোনও সন্দেহ হয়নি। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তাঁর মনোভাব বদলে যায়। কারণ দরজা খুলে মহিলার কান্নাভেজা চোখ দেখে তাঁর মনে হয়েছিল যে কোনও সমস্যা হয়েছে। তাই তিনি রাতে এটি অর্ডার করেছেন। তিনি কেবল কাঁদছিলেন। ডেলিভারি কর্মী তাঁর কাছে জানতে চান আত্মহত্যা করতে চান বলেই কি তিনি এটি অর্ডার করেছেন? না-সূচক উত্তর এলেও সেই উত্তরে বিশ্বাস করতে পারেননি কর্মী। কর্মীর যুক্তি, যদি মহিলার ইঁদুরের সমস্যা থাকত, তা হলে তিনি পরের দিন সকাল সাতটার দিকে বা তারও আগে অর্ডার করতে পারতেন। রাতের দিকে অর্ডার করার মতো তাড়াহুড়ো ছিল না।
ভিডিয়োয় তরুণ দাবি করেন, বহু কষ্টে রাজি করিয়ে বিষের সেই অর্ডার বাতিল করে দেন। তিনি জানান এই কাজটি করতে পেরে মনে হচ্ছে জীবনে অন্তত কিছু অর্জন করতে পেরেছেন। ভিডিয়োটি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করার পর কয়েক লক্ষ বার দেখা হয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে প্রচুর মানুষ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। উপস্থিত বুদ্ধি ও সদিচ্ছার জোরে একজনের প্রাণ বাঁচানোর প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা।