United States vs Denmark

‘সবুজ দ্বীপ’ দখলে দুই যুযুধানের তাল ঠোকাঠুকি! ট্যাঙ্ক, জেট, রণতরীর মার্কিন হামলা কতটা ঠেকাতে পারবে ডেনমার্ক?

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে উত্তেজনার পারদ ক্রমেই চড়ছে মেরুসাগরে। বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপের দখল নিয়ে চোখে চোখ রেখে আমেরিকার হুমকির জবাব দিচ্ছে ডেনমার্ক। যুদ্ধ বাধলে কার দিকে পাল্লা ভারী থাকবে, পেন্টাগন না কোপেনহেগেন?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৪
Share:
০১ ২২

ভেনেজ়ুয়েলার পর এ বার ‘সবুজ দ্বীপের’ দিকে হাত বাড়ানোর চেষ্টা। তেলের ভান্ডার হাতের মুঠোয় আসার পর বরফভূমিকে অধিগ্রহণ করার জন্য তাল ঠুকতে শুরু করে দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে কোনও লুকোছাপা করতে রাজি নন বিশ্বের ‘সবচেয়ে শক্তিশালী’ দেশের সর্বাধিনায়ক। সদম্ভে ঘোষণা করেছেন গ্রিনল্যান্ড তাঁর চাই।

০২ ২২

গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার মানচিত্রে যোগ করতে চাওয়ার নেপথ্যে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গ্রিনল্যান্ডের সর্বত্র রাশিয়া এবং চিনের জাহাজের ছড়াছড়ি। সে কারণে তাঁর দেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, এই জিগির তুলে ‘সবুজ দ্বীপের’ উপর কর্তৃত্ব আরোপ করতে চান তিনি। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে প্রয়োজন পড়লে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করতে দ্বিধাবোধ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।

Advertisement
০৩ ২২

ট্রাম্পের দাবি, সুমেরু সাগরের দিক থেকে অহরহ রুশ ডুবোজাহাজ ঢুকে পড়ছে আটলান্টিক মহাসাগরে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ দ্বীপে যাতায়াত রয়েছে চিনা রণতরীর। ফলে গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যখন-তখন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাঁর।

০৪ ২২

গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ৫৬ হাজার জনসংখ্যার ‘বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ’। প্রায় ৩০০ বছর ধরে সুমেরু অঞ্চলের ভূখণ্ডটি কোপেনহেগেনের নিয়ন্ত্রণে। ট্রাম্পের দেশদখলের হুঁশিয়ারিতে বেজায় চটেছে ডেনমার্ক প্রশাসন। সুপার পাওয়ার দেশটির চোখে চোখ রেখে পাল্টা জবাব দিতে পিছপা হয়নি স্ক্যানডেনেভিয়ান দেশটি। সে দেশের সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, গায়ের জোরে মার্কিন সেনা যদি গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টা করে, ড্যানিশ সৈন্যেরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।

০৫ ২২

আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটোর সদস্য এই ইউরোপীয় রাষ্ট্রটি। গ্রিনল্যান্ডে অনেক বারই আমেরিকা সেনার সঙ্গে যৌথ যুদ্ধমহড়া করেছে। গ্রিনল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয় ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দায়িত্বভার ন্যস্ত রয়েছে দ্বীপটির স্বায়ত্তশাসিত কর্তৃপক্ষের উপরে। বিদেশ এবং প্রতিরক্ষানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে ডেনমার্ক সরকারের।

০৬ ২২

আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত স্বশাসিত দ্বীপের অধিকার বিনা প্রতিবাদে ছাড়তে রাজি নয় ডেনমার্ক। ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ১৯৫২ সালের একটি সামরিক নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রয়াসে মার্কিন সেনা-সহ কেউ যদি ড্যানিশ ভূখণ্ড আক্রমণ করে, তা হলে আদেশের অপেক্ষা না করেই সৈন্যেরা লড়াই করবে।

০৭ ২২

এ বিষয়ে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক স্থানীয় সংবাদপত্র ‘বার্লিংস্কেকে’ জানিয়েছে, যুদ্ধের পরিস্থিতি দেখা দিলে সামরিক কর্মীদের কোনও আদেশের অপেক্ষা করতে হবে না। ডেনমার্কের (বলাই বাহুল্য গ্রিনল্যান্ডে) ভূখণ্ডে যে কোনও আক্রমণের বিরুদ্ধে অবিলম্বে লড়াই শুরু করতে হবে। এমনকি কমান্ডারেরা যুদ্ধঘোষণার বিষয়ে অবগত না থাকলেও। সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ৭৪ বছরের পুরনো এই নিয়ম এখনও বলবৎ রয়েছে।

০৮ ২২

১৯৫২ সালের ডেনমার্কের সেনা আইন অনুযায়ী, দখলকারী হামলা চালানোর চেষ্টা করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির অপেক্ষা না করে পাল্টা গুলি চালাবে সামরিক বাহিনী। তার পরেই হামলাকারীর উদ্দেশ্য কিংবা প্রত্যাঘাতের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন আছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে সেনা। অর্থাৎ, আমেরিকাকে প্রকারান্তরে ড্যানিশ সরকার জানিয়ে দিয়েছে ঢিল মারলে তার জবাব পাটকেলই দেবে তারা।

০৯ ২২

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে গেলে ডেনমার্কের সেনা আগে গুলি চালাবে, তার পরে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবে। আরও এক ধাপ এগিয়ে সুর চড়িয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন। এই সপ্তাহেই তিনি জানিয়েছেন যে, ডেনমার্ক রাজ্যের অন্তর্গত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের সামরিক প্রচেষ্টা চালালে তা নেটোর সমাপ্তির সূচনা হবে। অর্থাৎ, নেটোর জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারে পুরনো সদস্য ডেনমার্ক।

১০ ২২

আমেরিকার ‘চোখরাঙানি’ উপেক্ষা করে গ্রিনল্যান্ডকে সুরক্ষিত রাখার যে প্রচেষ্টা ডেনমার্ক চালাচ্ছে, তা সত্যিই কতটা বাস্তব? বিশ্বের ‘সুপার পাওয়ার’ দেশটির সঙ্গে সম্মুখসমরে অবতীর্ণ হলে পেন্টাগনের সামনে কতটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলে কতটা প্রতিরোধ করতে পারবে নর্ডিক দেশটি? সমরাঙ্গনে পেশিশক্তি প্রদর্শনে কে এগিয়ে থাকবে সে নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

১১ ২২

ফৌজিশক্তি অনুযায়ী, বিশ্বের ১৪৫টি দেশের একটি তালিকা প্রকাশ করে ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স’। আন্তর্জাতিক সংস্থার ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী আমেরিকার দখলে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী। অন্য দিকে, ডেনমার্ক রয়েছে এর অনেক নীচে। সামরিক বাহিনীর দিক থেকে ৪৫তম স্থান দখল করেছে ইউরোপীয় এই রাষ্ট্রটি।

১২ ২২

ফৌজিশক্তিতে বিশ্বের সর্বশক্তিধর দেশ আমেরিকা। ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’-এর তালিকা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আমেরিকান ফৌজের প্রাপ্ত নম্বর দাঁড়িয়েছে ০.০৭৪৪। সেই তুলনায় ডেনমার্কের প্রাপ্ত নম্বর ০.৮০১৯। তবে এখানে বলে দেওয়া ভাল শূন্যকে সূচক ধরে রাষ্ট্রগুলির ফৌজি র্যা ঙ্কিং দিয়ে থাকে ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’। যে দেশ শূন্যের যত কাছে যেতে পেরেছে, তালিকায় তত উপরে স্থান পেয়েছে সেই দেশ।

১৩ ২২

ডেনমার্কের সশস্ত্র বাহিনীর পোশাকি নাম রয়্যাল ড্যানিশ আর্মি। ডেনমার্কের সেনাবাহিনীর স্থলযুদ্ধের প্রধান শাখা এটি। আধুনিক ড্যানিশ সামরিক বাহিনী ১৫১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ডেনমার্ক তুলনামূলক ভাবে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী নিয়ে তার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ডেনমার্কের সেনাবাহিনীতে প্রায় ৮,০০০ থেকে ৯,০০০ পেশাদার সৈন্য ছিল। মোট সক্রিয় সামরিক কর্মীর সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার (সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী-সহ)। সংরক্ষিত সৈন্যের সংখ্যা ১২ হাজার। এ ছাড়াও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যসংখ্যা ৫১ হাজার।

১৪ ২২

সেই তুলনায় আমেরিকার সৈন্যবহর অনেক গুণ বেশি। ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনের হাতে রয়েছে প্রায় ১৪ লক্ষ সেনার বাহিনী। রিজ়ার্ভে থাকা সৈনিকদের সংখ্যার নিরিখে ডেনমার্কের থেকে বহু যোজন এগিয়ে রয়েছে আমেরিকান ফৌজ। যুক্তরাষ্ট্রের রিজ়ার্ভ ফোর্স ৭.৯৯ লক্ষ সৈনিক নিয়ে গঠিত। তবে পেন্টাগনের হাতে কোনও আধা সামরিক বাহনী নেই।

১৫ ২২

উত্তর আমেরিকা সাগরের জলপথে শত্রুর আক্রমণ ঠেকানো ও টহলের দায়িত্বে থাকে রয়্যাল ড্যানিশ নৌবাহিনী। এ দেশটির নৌসেনার ক্ষমতাও সীমিত। দেশটির হাতে মূলত ছোট যুদ্ধজাহাজ এবং উপকূলরক্ষী জাহাজ রয়েছে। নৌবহরে রয়েছে ৯টি ফ্রিগেট শ্রেণির মাঝারি আকারের রণতরী। শত্রু বিমান, সাবমেরিন ও জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি সাবমেরিন-বিধ্বংসী ও বিমান প্রতিরক্ষা অভিযানে সক্ষম। নৌবাহিনীর কর্মীসংখ্যা ৩ হাজার ৬০০। টহলদারি জাহাজের সংখ্যা ৯। সাবমেরিনের সংখ্যা শূন্য।

১৬ ২২

‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’-এর ২০২৫ সালের তথ্য বলছে ১৩ হাজার ৪৩টি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে আমেরিকান বায়ুসেনা। এর মধ্যে বোমারু বিমান ও লড়াকু জেটের সংখ্যা ১,৭৯০। পেন্টাগনের কাছে রয়েছে ৫৮৪৩টি ফৌজি হেলিকপ্টার। এর মধ্যে হামলাকারী কপ্টারের সংখ্যা ১,০০২।

১৭ ২২

অন্য দিকে রয়্যাল ড্যানিশ বিমানবাহিনীর সদস্যসংখ্যা ৩৬০০। মোট ১১৭টি বিমান রয়েছে ডেনমার্কের বিমানবাহিনীর হাতে। তার মধ্যে মাত্র ৩১টি লড়াকু যুদ্ধবিমান। বিমানবাহিনীর নতুন সংযোজন এফ৩৫-এ স্টেলথ ফাইটার যুদ্ধবিমানটি। এ ছাড়াও পরিবহণের জন্য স্থির ডানার ৪টি বিমান ব্যবহার করে বাহিনীটি। বিশেষ অভিযানের জন্য ৩টি বিমানকে বাহিনীতে স্থান দিয়েছে ড্যানিশ বিমানবাহিনী। ৩৪টি হেলিকপ্টার থাকলেও কোপেনহেগেনের হাতে আপাতত কোনও হামলাকারী হেলিকপ্টার নেই।

১৮ ২২

গ্রিনল্যান্ড রক্ষা করতে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে ইইউ-ভুক্ত দেশ ডেনমার্ক। গত বছরের ২৭ জানুয়ারি, সুমেরু সাগর এলাকায় ফৌজিশক্তি মজবুত করতে ২০০ কোটি ইউরো খরচ করার কথা ঘোষণা করেছে কোপেনহেগেন। তার পরও সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণের মান, সরঞ্জাম এবং আধুনিক সামরিক প্রযুক্তিতেও আমেরিকার থেকে অনেক পিছিয়ে। অন্যান্য শক্তিধর নেটো সদস্যদের তুলনায় ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খুবই নগণ্য বলে মনে করছেন সমরকুশলীরা।

১৯ ২২

ইউরোপের ২৮টি দেশের একটি সংগঠন হল ইইউ। ডেনমার্ক এর অংশ। ইইউ চুক্তির ৪২.৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনও সদস্য রাষ্ট্র সামরিক আগ্রাসনের শিকার হলে অন্য দেশগুলির তাকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাহায্য করতে হবে। ফলে শেষ পর্যন্ত আমেরিকা গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করলে জার্মানি এবং ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী দেশগুলি কোপেনহেগেনের পাশে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০ ২২

বর্তমানে নেটোর সদস্যসংখ্যা ৩২। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অধিকাংশ রাষ্ট্রই এই সৈন্যচুক্তির আওতাধীন। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে সুর চড়াতে থাকা ডেনমার্ক, ফ্রান্স এবং জার্মানিও নেটো-ভুক্ত রাষ্ট্র। ফলে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপটির অধিকারকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি যে জটিল হচ্ছে, তা বলাই যায়।

২১ ২২

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুযুধান দুই পক্ষ লড়াইয়ের ময়দানে নামলে নেটোয় যে ফাটল ধরবে, তা নিশ্চিত ভাবে বলাই যায়। বিশ্লেষকদের একাংশের আবার দাবি, সংঘাত চরমে ওঠার আগেই নেটো ত্যাগ করতে পারেন ট্রাম্প। একই হুমকি দিয়ে রেখেছেন ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী। গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যে ভাবে উত্তেজনার পারদ চড়ছে তাতে নেটোর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে রয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা।

২২ ২২

দ্বিতীয় দফায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে ট্রাম্প গত ১১ মাসে একাধিক বার গ্রিনল্যান্ড দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সামরিক জোট নেটোর অন্য সদস্যদের আপত্তি সত্ত্বেও ট্রাম্প নিজের পথ থেকে সরে আসেননি। আমেরিকার যুক্তি, নেটোর প্রথম সারির সামরিক শক্তি হিসাবে আমেরিকা মেরুপ্রদেশের স্বার্থকে রক্ষা করতে চায়। আর সেই কারণেই গ্রিনল্যান্ডের উপর আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা প্রয়োজন।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement