viral video

নিজেকে বেঁধে রাখার উদ্ভট চ্যালেঞ্জ নিতে গিয়ে শ্বাসরুদ্ধ হওয়ার উপক্রম! আর্তনাদ শুনে খবর গেল পুলিশে, তার পর...

‘জ়িপ টাই এস্‌কেপ চ্যালেঞ্জ’ নামের একটি ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্ট করতে গিয়ে বড়সড় বিপদ ডেকে আনলেন এক ব্যক্তি। নানান কায়দায় নিজেকে বেঁধে ফেলার পর তা থেকে আর মুক্ত হতে পারছিলেন না তিনি। শেষে দমকল ডেকে উদ্ধার করতে হয় তাঁকে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ১১:১১
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

নেটমাধ্যমের ভাইরাল চ্যালেঞ্জ হাতেনাতে করতে গিয়ে বড়সড় বিপদ ডেকে আনলেন এক ব্যক্তি। নিজের অ্যাপার্টমেন্টের মধ্যেই আটকে পড়লেন তিনি। নিশ্চল হয়ে পড়ে থাকার পর জরুরি পরিষেবা কর্মীরা দরজা ভেঙে উদ্ধার করে তাঁকে। ‘জ়িপ টাই এস্‌কেপ চ্যালেঞ্জ’ নামের সেই ঝুঁকিপূর্ণ খেলার একাধিক ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। সেই ভাইরাল ভিডিয়োগুলিকে অনুসরণ করতে গিয়ে প্রাণসংশয় হয় চিনের ওই বাসিন্দার। তাঁকে উদ্ধারের ঘটনার ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, ওই ব্যক্তি ভাইরাল চ্যালেঞ্জটি করার চেষ্টা করছিলেন। যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের নানান কায়দায় বেঁধে ফেলার পর তা থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেন। গুয়াংডং প্রদেশের গুয়াংঝৌতে ভাড়াবাড়িতে এই কাজ করতে গিয়ে ওই ব্যক্তি বিপদ ডেকে আনেন বলে স্থানীয় দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন। প্রথমে ওই ব্যক্তি একটি সুতির লেপ দিয়ে নিজেকে মুড়ে নেন। বাঁধন আরও মজবুত করার জন্য একটি মাছ ধরার জাল দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে নেন সারা দেহে। এর পর গলা থেকে গোড়ালি পর্যন্ত একাধিক লম্বা জ়িপ টাই দিয়ে নিজেকে আটকে নেন তিনি। ফলে নড়াচড়া বন্ধ হয় তাঁর। উদ্ধার পাওয়ার জন্য ছটফট করতে থাকেন তিনি।

সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর অ্যাপার্টমেন্টের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক ডেলিভারিকর্মী চিৎকার শুনে পুলিশে খবর দেন। খবর পাওয়ার পর দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। ঘরে ঢোকার জন্য দরজাটি ভেঙে ফেলতে হয়। ভিতরে ঢুকে দমকলকর্মীরা ওই ব্যক্তিকে বিছানায় শক্ত করে বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। বাঁধন কেটে তাঁকে নিরাপদে মুক্ত করেন কর্মীরা। দমকলকর্মী লিউ জুনজি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি ভাইরাল চ্যালেঞ্জটি নেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবে নিজেকে বেঁধে রেখেছিলেন। উদ্ধার করার পর শারীরিক সমস্যা না হলেও মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ভিডিয়োটি নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, উদ্ধাররকারী দল আর কিছুটা দেরি করে পৌঁছোলে পরিণতি মারাত্মক হতে পারত।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement