ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
ভারতের নাগরিকদের জন্য ইরানে কোনও চাকরি আছে কি না জানতে চেয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন এক তরুণ। এক্স হ্যান্ডল ব্যবহারকারী অক্ষয় আনন্দ একটি পোস্টে ইরানি দূতাবাসকে ট্যাগ করে জিজ্ঞাসা করেন যে, তাঁদের সমাজমাধ্যমটি পরিচালনা করার জন্য কোনও ভারতীয়কে নিয়োগ করা হয় কি না। পোস্টটি হালকা বা মজার ছলে করা হলেও এই প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে মুম্বইয়ে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস। যথাযথ উত্তর দিয়েছেন দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। সেই উত্তরটি ভাইরাল হতেই আলোচনা শুরু হয়েছে নেটমাধ্যমে। যদিও সেই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, এক ভারতীয় ব্যক্তির চাকরির আবেদনের জবাবে মুম্বইয়ের ইরানি দূতাবাসের দেওয়া একটি বিনয়ী ও বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর ভাইরাল হয়েছে। ইরানি বিদেশ মন্ত্রকের আন্তরিকতা ও কূটনৈতিক সৌজন্য অনলাইনে প্রশংসা কুড়িয়েছে। অক্ষয় তাঁর পোস্টে লিখেছিলেন “যদি কোনও শূন্যপদ থাকে, অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন। আমি বহুভাষী। হিন্দি, ইংরেজি এবং উর্দুতে পারদর্শী। পঞ্জাবিতে কথোপকথনের কিছুটা দক্ষতা আছে। হিন্দি ও উর্দুতে ভাল দখল আছে বলে আমার জন্য সংস্কৃত ও ফারসি শেখা সহজ হবে। আমি ইরানি দূতাবাসে কাজ করতে আগ্রহী।’’
পোস্টটির জবাবে তেহরান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা উৎসাহের সঙ্গে প্রস্তাবটি স্বীকার করছে। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বর্তমানে কোনও শূন্যপদ নেই। দূতাবাসের অফিশিয়াল হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “নমস্কার, আমরা সত্যিই আগ্রহী, কিন্তু এই মুহূর্তে কোনও শূন্যপদ নেই। আমাদের বর্তমান দলটি সম্পূর্ণ ইরানি নাগরিক নিয়ে তৈরি। (যদিও ভারতের প্রতি তাদের বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে), তবে ভবিষ্যতে আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের দলে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি চমৎকার প্রস্তাব।’’
পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। এক নেটাগরিক লিখেছেন, “এটি একটি অত্যন্ত আন্তরিক ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া, যা প্রমাণ করে যে প্রয়োজনের সময় ইরান ও ভারত একে অপরের পাশে দাঁড়ায়।’’ দ্বিতীয় জন অবশ্য ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, “ভারতের প্রতি ইরানের ‘দুর্বলতা’ রয়েছে। অথচ দেশটির শাসকগোষ্ঠীটি এশিয়া জুড়ে সশস্ত্র সংগঠনগুলিকে অস্ত্র সরবরাহ করে এবং ইজ়রায়েলকে ধ্বংস করার আহ্বান জানায়। বিপণন কৌশল বেশ ভাল।’’