Viral Video

দিল্লির প্রবল দাবদাহে নাজেহাল ট্রাফিক পুলিশদের মাথা ঠান্ডা রাখার উদ্যোগ! অভিনব পদক্ষেপে প্রশংসা নেটপাড়ায়

দিল্লিতে তাপমাত্রা প্রায়শই বিপজ্জনক মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ায়, কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকেই। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তৈরি করা হয়েছে ব্যাটারিচালিত ‘এসি হেলমেট’। এটি হেলমেটের ভেতরে ঠান্ডা হাওয়া ছড়িয়ে দেয়, যা বেশ আরামদায়ক বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ০৯:১৫
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

ভারতের যে সব শহরে গ্রীষ্মে তাপমাত্রার পারদ খুব চড়ে যায় তার মধ্যে দিল্লির নাম একেবারে প্রথম সারিতে থাকে। তীব্র দাবদাহে প্রায়ই মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। যাঁরা ঘরে থাকেন তাঁরাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র ছাড়া যেন টিকতে পারেন না, আর যাঁদের কাজের সূত্রে বাইরে থাকতে হয় তাঁদের তো শোচনীয় অবস্থা হয়। এমনই এক শ্রেণির মানুষ হলেন ট্রাফিক পুলিশ। প্রবল গরমে দীর্ঘ সময় তাঁরা দিল্লির মতো জনবহুল শহরের ব্যস্ত রাস্তার যানবাহন নিয়ন্ত্রণে রাখেন।

Advertisement

সম্প্রতি ‘মেঘ_আপডেটস’ নামে একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে এক পুলিশকর্মীকে। তাঁর মাথার হেলমেটে একটি বস্তু আটকানো রয়েছে এবং হাতে রয়েছে একটি ব্যাটারিচালিত পাখা। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

সংবাদসংস্থা পিটিআইকে ওই ট্রাফিক পুলিশকর্মী জানান, বিশেষ এই ‘এসি হেলমেট’-এর দৌলতে অনেকটা স্বস্তি হচ্ছে। পিটিআইয়ের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এই হেলমেটটির ওজন একেবারেই বেশি নয়, খুব বেশি হলে ১৫০-২০০ গ্রাম। এটি পরার ফলে তাপমাত্রা ৩২-৩৩ মতো রয়েছে এমন অনুভব হয়। টানা চার-পাঁচ ঘণ্টা এই আরামদায়ক অবস্থা থাকে।”

Advertisement

সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, তাপপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা প্রায়শই বিপজ্জনক মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ায়, কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। তাঁদের স্বস্তি দেওয়ার ভাবনা থেকেই নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে, যার ফলশ্রুতি এই ব্যাটারিচালিত ‘এসি হেলমেট’। এটি হেলমেটের ভেতরে ঠান্ডা হাওয়া ছড়িয়ে দেয়, যা বেশ আরামদায়ক বলে জানা যাচ্ছে।

সমাজমাধ্যমে এই উদ্যোগটির বিষয়ে জানার পর বহু সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। তবে মাথায় ঠান্ডা হাওয়া লাগলেও, শরীর সেই উত্তপ্তই থাকছে, এর ফলে অসুস্থতা তৈরি হতে পারে কি না, তা নিয়ে অনেকেই উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন। ডেলিভারি কর্মী, রাস্তার হকার এবং শ্রমিকদের জন্যও কোনও সমাধানের দাবি জানিয়েছেন অনেকে। এক নেটাগরিক আবার মজা করে লিখেছেন, “দিল্লিতে সূর্যেরও ভাড়া দেওয়া শুরু করা উচিত।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement