Bizarre

৪৫ মিনিটের কাজের জন্য ৯০০ টাকা পারিশ্রমিক! চাকরি ছাঁটাইয়ের আবহে কাঠমিস্ত্রির আয় শুনে আঁতকে উঠল নেটপাড়া

এক্স হ্যান্ডল থেকে শেয়ার করা একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এক কাঠের মিস্ত্রি সামান্য কাজের জন্য ৯০০ টাকার পারিশ্রমিক পেয়েছেন। বাড়িতে কাঠের তাক লাগানো ও মাত্র দু’টি ছবি টাঙানোর পেরেক পোঁতার মতো কাজটি করতে সাকুল্যে সময় লেগেছিল ৪৫ মিনিট।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:২৫
Share:

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

মাত্র ৪৫ মিনিটের কাজের জন্য ৯০০ টাকা। কাজ বলতে দেওয়ালে কাঠের তাক লাগানো এবং দু’টি ছবি টাঙানো। এআইয়ের দাপটে যখন বিশ্ব জুড়ে ‘গেল গেল’ রব উঠছে তখন দক্ষ কায়িক শ্রমের কর্মীদের পারিশ্রমিক নিয়ে একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়তেই তা নজর কেড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্টটি। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

এক্স হ্যান্ডল থেকে শেয়ার করা একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এক কাঠের মিস্ত্রি সামান্য কাজের জন্য ৯০০ টাকার পারিশ্রমিক পেয়েছেন। বাড়িতে কাঠের তাক লাগানো ও মাত্র দু’টি ছবি টাঙানোর জন্য পেরেক পোঁতার মতো কাজটি করতে সাকুল্যে সময় লেগেছিল ৪৫ মিনিট। এই সময়টুকু ব্যয় করে প্রায় হাজারখানেক টাকা রোজগার সেরে ফেলেছেন হাতেকলমে কাজে দক্ষ কর্মী। পৃথিবী জুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে চাকরির অভাব দেখা দিয়েছে। এই পোস্টটি দেখার পর কায়িক শ্রমে উপার্জনের সম্ভাবনা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে সমাজমাধ্যমে।

‘ভান্ডারি কা ভ্যাং’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করে লেখা হয়েছে, ‘‘দেওয়ালে কিছু তাক লাগাতে এবং দু’টি ছবি টাঙানোর ৪৫ মিনিটের কাজের জন্য কাঠমিস্ত্রিকে ৯০০ টাকা দিলাম। কায়িক শ্রমের কাজই ভবিষ্যৎ, অন্যান্য সেকেলে ডিগ্রির চেয়ে যুবকদের জন্য দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। কারণ এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাবা বসাতে পারবে না।’’ পোস্টটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম হয়েছে। এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “বেঙ্গালুরুতে এটা খুবই সাধারণ একটি ব্যাপার। আপনি যে কোনও ছুতোর, বৈদ্যুতিন যন্ত্র সারাই বা কলের মিস্ত্রিকে ডাকলে, তাঁরা ১-২ ঘণ্টার কাজের জন্য ১,০০০-২,০০০ টাকা চান। আমি নিজেও সহজ ও মাঝারি ধরনের কাজ সামলানোর জন্য প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নিয়ে রেখেছি।” অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘কাঠমিস্ত্রিরা দিনে ৯,৬০০ টাকা আয় করেন না। তাঁদের আয় অনিশ্চিত; কখনও কখনও তাদের কোনও কাজই থাকে না। তবুও, যদি তাঁরা মাসে ১৫ দিনের কাজ পান, তাহলে ঠিকমতো পরিবারের ভরণপোষণ করতে পারেন।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement