Viral Video

‘জীবনের সবচেয়ে ভাল সময় কাটাচ্ছি’! ভারতে এসে বিহারের প্রেমে মজলেন আমেরিকার তরুণ, ভাইরাল ভিডিয়োয় হইচই

ভাইরাল সেই ভিডিয়োর শুরুতে আমেরিকার বাসিন্দা ও বিষয়স্রষ্টা টনিকে বলতে শোনা গিয়েছে ‘‘আমি একজন আমেরিকান এবং বিহারে আমার জীবনের সেরা সময় কাটাচ্ছি। আমি এখন মানসিতে আছি।”

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ১০:৩৮
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

বিহারের প্রেমে পড়লেন বিদেশি তরুণ! বদনামের বদলে সুনাম কুড়োল পড়শি রাজ্য। আর্থ-সামাজিক অবস্থার কারণে প্রায়শই নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখানো বিহারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ওই ভ্রমণ ভ্লগার। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ভিডিয়োতে, আমেরিকার বিষয়স্রষ্টা টনি ক্লোর বিহারের সেই দিকটি তুলে ধরে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন যে দিকটি উপেক্ষিত। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত হতেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োর শুরুতে টনিকে বলতে শোনা গিয়েছে ‘‘আমি একজন আমেরিকান এবং বিহারে আমার জীবনের সেরা সময় কাটাচ্ছি। আমি এখন মানসিতে আছি। আর গুগ্‌ল ম্যাপ দেখাচ্ছে যে ভাগলপুর যেতে ৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। অথচ এটা গাড়িতে মাত্র ২০ মিনিটের পথ। কিন্তু জানেন কি গুগ্‌ল ম্যাপ যেটা জানে না সেটা হল ভারতীয়দের উদ্ভাবনী ক্ষমতা। আমি কথা দিচ্ছি, খুব তাড়াতাড়ি ভাগলপুরে পৌঁছোনোর একটা উপায় আছে।” এর পরই ভিডিয়োয় দেখা যায় টনি নামের ওই মার্কিন বিষয়স্রষ্টা এক স্থানীয় বাসিন্দার বাইকে চড়ে বসেন। বিহারিদের ‘মিষ্টি’ বলে উল্লেখ করে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “যাই হোক না কেন, ওরা সব সময় আমাকে বাইকে তুলে নেয়। বিহার কী যে সুন্দর!” গঙ্গা নদীর উপর একটি নির্মাণাধীন সেতুর কাছে এসে তাঁর এই রোমাঞ্চকর যাত্রা আরও নাটকীয় মোড় নেয়। সেতুটি বাইকে চড়ে পার হওয়ার বদলে তিনি কয়েক জন স্থানীয় লোকের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। টনি খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, ভাগলপুর পৌঁছোনোর জন্য স্থানীয়েরা নৌকো ব্যবহার করে নদী পার হয়। এর পর তিনি একটি মোটরবোটে চড়ে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ শুরু করেন।

ভিডিয়োটি ‘টনিকেমন্টানা’ নামের নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করার পর দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বিহার ভ্রমণের প্রতি টনির উৎসাহ দেখে অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বিহারের প্রতি টনির কৌতূহল, প্রাণবন্ত উদ্যম এবং উৎসাহের কারণে ভিডিয়োটি বেশির ভাগ নেটাগরিকের কাছেই স্বতন্ত্র বলে মনে হয়েছিল। এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, “বিহারে হয়তো একমাত্র এই ভাই-ই এসেছেন যিনি এখানে এসে মজা পেয়েছেন।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement