ছবি: সংগৃহীত।
এক ছাত্রীকে ফোনে অশ্লীল প্রস্তাব। ছাত্রীর হাতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তুলে দেওয়ার টোপ দিয়ে তাঁকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা। লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠতেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া ও প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দেওয়ার একটি অডিয়ো ক্লিপ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হয়। লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। অধ্যাপকের গ্রেফতারির সময় মুহুর্মুহু স্লোগান ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। সেই বিক্ষোভের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। এই সংক্রান্ত অডিয়ো ও ভিডিয়ো কোনওটিরই সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হচ্ছে। গাড়ির আশপাশে ক্যাম্পাসে ভিড় জমিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দরজা দিয়ে অধ্যাপক বেরিয়ে আসতেই জোরে জোরে স্লোগান দিতে শুরু করেন বিক্ষুব্ধ ছাত্রেরা। শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভকারী তাঁকে জুতো দিয়ে বেদম প্রহার করার স্লোগান দিতে থাকে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, অভিযুক্ত পরমজিৎ সিংহ লখনউয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। বিএসসি চূড়ান্ত বর্ষের এক ছাত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের একটি অডিয়ো ক্লিপ সমাজমাধ্যমে ফাঁস হয়ে ভাইরাল হওয়ার পর তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। তাঁকে ফোন করে অধ্যাপক কুপ্রস্তাব দেওয়ার পর ওই ছাত্রী শিক্ষার্থী তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানান। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিদ্যানন্দ ত্রিপাঠী পুলিশের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।
ভিডিয়োটি ‘প্রিয়ারাজপুতলাইভ’ নামের এক সাংবাদিকের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার পর তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অধ্যাপকের এ-হেন আচরণ দেখে নিন্দার ঝড় উঠেছে সমাজমাধ্যমে। যদিও গ্রেফতার হওয়া অধ্যাপক সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে তাঁকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।