—প্রতীকী ছবি।
কৃত্রিম মেধা বা এআইয়ের (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) দুনিয়ায় ডেভিড বনাম গোলিয়থ! বাজারমূল্যের নিরিখে এ বার চ্যাটজিপিটির মূল সংস্থা ওপেনএআইকে ছাপিয়ে যেতে চলেছে অ্যানথ্রোপিক। সূত্রের খবর, ৩,০০০ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে তারা। সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলেই কৃত্রিম মেধা ভিত্তিক সংস্থাটির বাজারমূল্যের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৯০ হাজার কোটি ডলার, যা তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ওপেনএআইয়ের থেকে বেশি।
একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাস শেষ হওয়ার আগেই একাধিক সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে ফেলবে অ্যানথ্রোপিক। সেই তালিকায় নাম আছে ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ, গ্রিনোকস ক্যাপিটাল, সিকোইয়া ক্যাপিটাল এবং অলটিমিটার ক্যাপিটাল-সহ একাধিক লগ্নিকারীর। কৃত্রিম মেধা ভিত্তিক সংস্থাটিতে কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে তারা। সেই টাকা হাতে চলে এলে অ্যানথ্রোপিকের মূলধন অন্তত তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।
সূত্রের খবর, এ বছরের এপ্রিলে একাধিক লগ্নিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে অ্যানথ্রোপিক কর্তৃপক্ষ। মূলধন বৃদ্ধির জন্য তহবিল সংগ্রহের ব্যাপারে তাদের সঙ্গে আলোচনা চালায় এই কৃত্রিম মেধা ভিত্তিক সংস্থা। এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে লগ্নিকারীরা বেশ কিছু শর্ত চাপাতে চাইছেন বলে জানা গিয়েছে। শেষ মুহূর্তে সেখানে বড় বদল আসতে পারে বলেও সূত্র মারফত মিলেছে খবর।
বর্তমানে অ্যানথ্রোপিকের চিফ ফিন্যান্সশিয়াল অফিসার পদে রয়েছে কৃষ্ণ রাও। সূত্রের খবর, তহবিল সংগ্রহ করতে টানা দু’সপ্তাহ ধরে লগ্নিকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছেন তিনি। মাত্র তিন মাসে এই কৃত্রিম মেধা ভিত্তিক সংস্থাটির তহবিলে জমা পড়ে ৩,০০০ কোটি ডলার। ওই অর্থ সংগ্রহে বড় ভূমিকা নেন অ্যানথ্রোপিকের চিফ এগ্জ়িকিউটিভ দারিও আমোদি। তাঁর ওই পদক্ষেপের জেরে সংস্থাটির রাজস্বের সূচক যে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।