RG Kar Rape And Murder Case

আরজি করে ধর্ষণ এবং খুনের মামলার শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করল কলকাতা হাই কোর্ট, কী কারণে?

কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চ শনিবার জানিয়েছে, নির্যাতিতার পরিবারের আরজি কর ঘটনাস্থল পরিদর্শন-সহ সমস্ত আবেদনের শুনানি হবে বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১৫:৩৯
Share:

—প্রতীকী ছবি।

আবার কলকাতা হাই কোর্টের নতুন বেঞ্চে গেল আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক-ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলা! শনিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল নির্দিষ্ট করেছেন যে বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে।

Advertisement

২০২৪ সালের ৯ অগস্টের ওই ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবারের তরফে নতুন করে সিবিআই তদন্ত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে হাই কোর্টে। আর জি কর কাণ্ডের ঘটনাস্থলে যাওয়ার আর্জিও হাই কোর্টে জানিয়েছেন নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী। পাশাপাশি, তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আরজি কর-কাণ্ডে যাবজ্জীবন জেলের সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায়ের ফাঁসি চেয়ে আবেদন করেছে। অন্য দিকে, চিকিৎসক-ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে।

প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ শনিবার জানিয়েছে, নির্যাতিতার পরিবারের আরজি কর ঘটনাস্থল পরিদর্শন-সহ সমস্ত আবেদনের শুনানি হবে নতুন ডিভিশন বেঞ্চে। প্রসঙ্গত, এর আগে এই মামলা আগে কলকাতা হাই কোর্টের তিনটি বেঞ্চ ছেড়ে দিয়েছে। গত ১২ মে ‘এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার দ্রুত শুনানি প্রয়োজন’ পর্যবেক্ষণ রেখে মামলা ছেড়ে দিয়েছিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে পর্যবেক্ষণে বলেছিল, ‘সাজাপ্রাপ্ত অনেক কিছুই জানে বলে মনে হয়। ফলে যত আধুনিক পদ্ধতি, প্রযুক্তি রয়েছে, তার সব কিছু সিবিআই ব্যবহার করুক এই মামলায়’। তার পর এই নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন হল।

Advertisement

আরজি করে কোথায় ডাক্তারি ছাত্রীকে নির্যাতনের ঘটনা হয়েছিল, তা পরিদর্শন করতে চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেছিল নির্যাতিতার পরিবার। সেই নিয়ে বিচারপতি মান্থার বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল— ‘নিহতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল দেখতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তা হলে রাজ্যের আপত্তি কিসের? কারণ, মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে হলফনামা পরিবার দেয় আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন?’ সেই সঙ্গে বিচারপতি মান্থা বলেছিলেন, ‘‘সঞ্জয়ের বেকসুর খালাসের আবেদন এবং সিবিআইয়ের মৃত্যুদণ্ডের আবেদনের শুনানি একই সঙ্গে করা প্রয়োজন।’’ সূত্রের খবর, সোমবার নতুন বেঞ্চে দ্রুত শুনানি চেয়ে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবীরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement