ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
কথায় বলে, প্রত্যেক সফল পুরুষের পিছনে এক নারীর অবদান রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তিনি সেই পুরুষের মা। সন্তানের সাফল্যে এক মায়ের যে ত্যাগ থাকে, তার তুলনা হয় না। তাই তাঁর সে ত্যাগকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত সব সন্তানের। সম্প্রতি গুগ্লে কর্মরত এক প্রযুক্তিবিদ তাঁর মাকে এমন এক আবেগঘন শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন, যা দেখে প্রশংসার বন্যা বয়ে গেছে নেটপাড়ায়।
ইনস্টাগ্রামের ‘অভিজয়অরোরা’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, নিউ ইয়র্ক টাইমস স্কোয়্যারের একটি বিলবোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক ব্যক্তি। ভিডিয়ো কলে রয়েছেন এক মহিলা। মহিলাকে পৃথিবীবিখ্যাত ওই বিলবোর্ডটির দিকে তাকাতে বলেন ওই ব্যক্তি। বিলবোর্ডটিতে ওই ব্যক্তি এবং মহিলার ছবি ভেসে ওঠে। হাসিতে ভরে ওঠে ওই মহিলার মুখ। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভিডিয়োটির ক্যাপশনে ওই সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, এটি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন। মায়ের সমস্ত ত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে আমি তাঁর সঙ্গে আমার একটি ছবি নিউ ইয়র্ক টাইমস স্কোয়্যারের একটি বিলবোর্ডে তুলে ধরেছিলাম। সেখানে আরও লেখা রয়েছে, ওই ব্যক্তির জন্ম পাঞ্চকুলা নামের একটি শহরে। তাঁর মা তাঁকে একাই বড় করেছেন। সেরা স্কুলে পড়িয়েওছেন। ২০১২ সালে আইআইটি-তে ফেল করার পর তাঁর মা কেঁদে ফেলেন। তখনই তিনি আরও কঠোর পরিশ্রম করার সিদ্ধান্ত নেন। এর পরে নানা ওঠাপড়া চলেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাফল্য তাঁর কাছে ধরা দেয়। ২০২২ সালে হার্ভার্ড থেকে ইতিবাচক সাড়া পান। আর ২০২৫ সালে গুগ্ল থেকে ডাক আসে।
ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই আবেগে আপ্লুত হয়েছেন নেটাগরিকেরাও। ৬০ হাজারেরও বেশি নেটাগরিক তাতে ভালবাসার চিহ্ন এঁকে দিয়েছেন। অনেকে শেয়ারও করেছেন। অজস্র মন্তব্যও জমা পড়েছে মন্তব্যবাক্সে। এক জন লিখেছেন, “আরে বাহ, অসাধারণ এক যাত্রা ভাই, এখনও অনেক পথ বাকি।” আবার আর এক জনের মতে, “ভাই, তোমার মা যদি খুশি থাকেন, তবে তুমি সব কিছুই অর্জন করে ফেলেছ।”