—প্রতীকী ছবি।
বরের মাথায় চুল নেই! বিয়ে করেছেন পরচুলা পরে। বিয়ের পরের দিন সেই সত্য জানতে পেরে মাথায় হাত পড়ল তরুণীর। ঠকিয়ে বিয়ে করার জন্য তরুণ এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তরুণী। শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং চাকরি নিয়েও নাকি ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল পাত্রীর পরিবারকে। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তরুণীর নাম লাভিকা গুপ্ত। মধ্য নয়ডার গৌড় সিটি অ্যাভিনিউ-১ এলাকার বাসিন্দা তিনি। ২০২৪ সালের ১৬ জানুয়ারি বিয়ে করেন লাভিকা। পাত্রের নাম সংযম জৈন। লাভিকার দাবি, বিয়ের আগে সংযমকে দেখে কখনও বুঝতে পারেননি যে, তাঁর মাথায় চুল নেই। লাভিকা এবং তাঁর পরিবারের সামনে সব সময় পরচুলা পরেই ঘুরতেন তিনি। এমনকি, বিয়েও করেছিলেন পরচুলা পরে।
বিয়ের এক দিন পরেই সত্য জানতে পারেন লাভিকা। স্বামীর মাথায় যে চুল নেই, তা জানতে পেরে মাথায় হাত পড়ে তরুণীর। বিয়ের পর লাভিকাকে নিয়ে তাইল্যান্ডে ঘুরতে গিয়েছিলেন সংযম। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে লাভিকাকে মাদকপাচারের জন্য জোরাজুরি করতে থাকেন সংযম। এমনকি, লাভিকার অশ্লীল ভিডিয়ো বানিয়ে তাঁকে হুমকিও দিতেন তিনি।
পুলিশের কাছে সংযমের পরিবারের বিরুদ্ধে পণ নেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন লাভিকা। তরুণীর আরও অভিযোগ, বিয়ের আগে সংযম জানিয়েছিলেন তিনি ভাল নম্বর পেয়ে বাণিজ্যে স্নাতক হয়েছিলেন।
মাস গেলে ভাল বেতন পান, এমনটাও দাবি করেছিলেন। কিন্তু বিয়ের পর লাভিকা জানতে পারেন যে, এ সবই অসত্য। ভুয়ো শংসাপত্র দেখিয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছিলেন সংযম। আসলে, তিনি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। কলেজে কখনও ভর্তিই হননি। লাভিকার অভিযোগের উপর ভিত্তি করে তদন্ত শুরু করেছে নয়ডা পুলিশ। সংযম এবং তাঁর পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।