Cockroach Janta Party

ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর ঝড়, বিজেপিকে ছাড়িয়ে যেতেই সিজেপির এক্স হ্যান্ডল ব্লক করা হল ভারতে! নেপথ্যে কোন কারণ?

সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলিতে উল্কাসম উত্থানের মধ্যেই ভারতে ব্লক করে দেওয়া হল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির অ্যাকাউন্ট। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে কারণ জানতে চেয়েছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০২৬ ১৪:২৫
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা এক কোটির কাছাকাছি পৌঁছোতেই এক্স হ্যান্ডলে ব্লক করে দেওয়া হল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির অ্যাকাউন্ট। ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলনের অনুসারীরা সংখ্যায় বিজেপির অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই এই পদক্ষেপ করল এক্স। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা আরশোলা জনতা দলের জন্ম যাঁর হাত ধরে সেই অভিজিৎ দীপকে বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। ভারতে অ্যাকাউন্টটি ব্লক হওয়ার একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন তিনি। এই পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ লিখেছেন, ‘‘যেমনটা আশা করা হয়েছিল! ককরোচ জনতা পার্টির অ্যাকাউন্ট ভারতে আটকে দেওয়া হয়েছে।’’ যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলিতে সিজেপির উল্কাসম উত্থানের মধ্যেই এই ‘ব্লক’ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তাল হয়ে উঠছে জেন জ়ি-দের একাংশ। এক্স জানিয়েছে যে একটি ‘আইনি দাবি’র প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে সেই আইনি দাবিটি কী সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। কেন তাদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে সে বিষয়ে জানতে চেয়েছেন তিনি।

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বেকার তরুণ-তরুণীদের ‘আরশোলা’ এবং ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করামাত্রই সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় দেশ জুড়ে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির মতে, ওই তরুণ-তরুণীরা কোনও পেশায় স্থান না পেয়ে সাংবাদিক, সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী বা তথ্যের অধিকার কর্মী হিসাবে কাজ শুরু করেন ও সকলকে আক্রমণ করেন। প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর গত ১৬ মে সিজেপি আত্মপ্রকাশ করে। ‘অনলাইন স্যাটায়ার আন্দোলন’ বা ব্যাঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন হিসাবে পথ চলা শুরু করার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই নেটমাধ্যমে প্রবল জনপ্রিয়তা অর্জন করে ফেলে সিজেপি। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-সহ ভারতের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলের ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে নব্য আন্দোলনের হ্যান্ডলটি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement