—প্রতীকী ছবি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে ২০১৮ সালের দেবপ্রসাদ দাস (দেবু) ও তাঁর স্ত্রী উষারানি দাস হত্যা মামলায় সাফল্য পেল পুলিশ। এফআইআরে নাম থাকা ১০ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে দায়ের হওয়া মামলাটি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৩৬, ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় রুজু হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্তের পর সম্প্রতি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নতুন করে পদক্ষেপ শুরু হয়। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন সিপিএম নেত্রী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং সিপিএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন নদিয়ার কালীগঞ্জের তমন্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন এবং নিহত সিপিএম কর্মী দেবপ্রসাদের পুত্র দীপঙ্কর। তার পরই এই গ্রেফতারের ঘটনা।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতেরা হলেন ৪৬ বছরের অশোক মণ্ডল, ৪১ বছরের চন্দন গিরি, ৬২ বছরের মেঘনাথ ডাকুয়া, ৬৫ বছরের মাধব কান্দার়, ৬৯ বছরের নিকুঞ্জ নস্কর, ৬৬ বছরের শিবপ্রসাদ মণ্ডল, ৪১ বছরের অমিত মণ্ডল, ৪৫ বছরের গোকুল জানা, ৪৮ বছরের নারায়ণচন্দ্র পতি এবং ৪০ বছরের শেখ মনিরুল। সকলের বাড়ি কাকদ্বীপ থানার বুধাখালি গ্রামে।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলবে। কাকদ্বীপের বুধাখালি গ্রাম ছাড়িয়ে একেবারে শেষ প্রান্তে, নির্জন জায়গায় বাড়ি দীপঙ্করদের। পাশেই মুড়িগঙ্গা নদী। ওই নদীতে মাছ ধরতেন দেবু। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর কিছু দিন আগে মাছ ধরা নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বচসায় জড়ান দেবু। মাছ ধরতে হলে তৃণমূল করতে হবে বলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে গ্রামের কিছু মানুষের দাবি। তার কিছু দিন পরেই দাস দম্পতির দগ্ধ দেহ মেলে।