Bhangar Crime

তৃণমূল নেতাকে খুন করে জেলে যান, জামিনে ছাড়া পাওয়া সেই প্রৌঢ়কে কোপানো হল বিডিও অফিসের সামনে!

গত জুলাই মাসে ভাঙড়ে খুন হন রাজ্জাক খান নামে এক তৃণমূল নেতা। ওই ঘটনায় রফিকুলকে পাকড়াও করে পুলিশ। পাঁচ মাস আগে জামিনে মুক্তি পেলেও এত দিন এলাকায় দেখা যায়নি তাঁকে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ২১:৪২
Share:

ভাঙড়-২ বিডিও অফিসের সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন প্রৌঢ়। —নিজস্ব ছবি।

তৃণমূল নেতাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন। জামিনে ছাড়া পাওয়া সেই ব্যক্তিকে বিডিও অফিসের সামনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপালেন অজ্ঞাতপরিচয় দুই ব্যক্তি। সোমবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়-২ বিডিও অফিসের সামনে। রক্তাক্ত অবস্থায় রফিকুল খান নামে ওই প্রৌঢ়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে বিজয়গঞ্জ থানার পুলিশ।

Advertisement

গত জুলাই মাসে ভাঙড়ে খুন হন রাজ্জাক খান নামে এক তৃণমূল নেতা। ওই ঘটনায় রফিকুলকে পাকড়াও করে পুলিশ। পাঁচ মাস আগে জামিনে মুক্তি পেলেও এত দিন এলাকায় দেখা যায়নি তাঁকে। তবে সোমবার দুপুরে ব্যক্তিগত কাজে বিডিও অফিসে গিয়েছিলেন রফিকুল। ঠিক বিডিও অফিসের সামনেই তাঁর উপর হামলা চলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই ব্যক্তি বাইকে এসে রক্তের ছিটে থাকা শার্ট বিডিও অফিসের অদূরে একটি পুকুরে ছুড়ে পালান। সেই সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

তৃণমূল নেতার খুনের নেপথ্যে ব্যক্তিগত আক্রোশ ছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ। জানা গিয়েছিল, জমি নিয়ে পুরনো বিবাদ ছিল দুই প্রতিবেশীর। সেই জন্য রফিকুল জনৈক মোফাজ্জেল এবং আজহারউদ্দিনকে নিয়ে রাজ্জাককে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষেন। পুলিশের দাবি, রাজ্জাকের মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য রফিকুল নিজেও অস্ত্র নিয়ে তাঁর ঘাড়ে, গলায় আঘাত করেছিলেন। সব মিলিয়ে ওই ঘটনায় পাঁচ জন গ্রেফতার হয়েছিলেন। যদিও রফিকুল গ্রেফতার হওয়ার পরে ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেন ধৃত আইএসএফ কর্মী। খুনের নেপথ্যে রাজনীতি রয়েছে। সোমবারের ঘটনার পিছনে তৃণমূল নেতার খুনের যোগসূত্র রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement