গাইঘাটায় আক্রান্ত কিশোর, দোষীদের ধরার দাবি

গাইঘাটার চাঁদপাড়ায় উদ্ধার হওয়া জখম কিশোর বাবু মণ্ডল এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কারা তার এমন হাল করল, তা নিয়ে অবশ্য এখনও ধন্দে পুলিশ। ওই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে শুক্রবার গাইঘাটার চাঁদপাড়া বাজারে কিছু ক্ষণের জন্য যশোর রোড অবরোধ করে মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০১৫ ০০:৪৯
Share:

জঙ্গল সাফ করার কাজে হাত লাগালেন পুলিশ কর্মীরা। শুক্রবার তোলা নিজস্ব চিত্র।

গাইঘাটার চাঁদপাড়ায় উদ্ধার হওয়া জখম কিশোর বাবু মণ্ডল এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কারা তার এমন হাল করল, তা নিয়ে অবশ্য এখনও ধন্দে পুলিশ। ওই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে শুক্রবার গাইঘাটার চাঁদপাড়া বাজারে কিছু ক্ষণের জন্য যশোর রোড অবরোধ করে মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর। পুলিশ এসে দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিলে কিছু ক্ষণের মধ্যে অবরোধ তুলেও নেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

Advertisement

বাবুকে চাঁদপাড়ার সাহেববাগানের যেখান থেকে পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে দুষ্কৃতীদের আড্ডা বসে বলে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ ছিল। শুক্রবার গাইঘাটার পুলিশ এলাকায় গিয়ে জঙ্গল সাফ করে।

বছর পনেরোর বাবু মানসিক ভাবে পুরোপুরি সুস্থ নয়। মাঝে মধ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কয়েক দিনের জন্য বেপাত্তা হয়ে যেত সে। টাকার অভাবে ছেলের চিকিৎসা করাতে পারেননি বলে জানিয়েছেন মা সুশীলা। তিনি জানান, গত শনিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি বাবু। আগেও বেশ কয়েক বার এই ঘটনা ঘটায় দুশ্চিন্তা করেনি কেউ। কিন্তু সোমবার সকালে বাবুকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায় সাহেববাগানে জঙ্গলের মধ্যে থেকে। তার মুখে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। চোখের পাতা ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছিল। মুখের ভিতরেও ছিল একাধিক গভীর ক্ষত।

Advertisement

কারা মানসিক ভারসাম্যহীন এক কিশোরের এমন হাল করল, তা ভেবে কুলকিনারা করতে পারেননি স্থানীয় মানুষ। তাঁদের কারও কারও দাবি, সাহেববাগানের ওই জঙ্গলে দুষ্কৃতীদের আড্ডা বসে। সেখানে কোনও কিছু দেখে বা শুনে থাকতে পারে বাবু। সে জন্যই তার উপরে হামলা হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র এ-ও মনে করেছে, বাবুর উপরে যৌন নিযার্তন চালিয়ে থাকতে পারে হামলাকারীরা।

ছেলেটিকে বারাসত হাসপাতাল থেকে পাঠানো হয় আরজিকরে। পরে ভর্তি করা হয় এসএসকেএমে। শিশুকল্যাণ সমিতিও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement