Sundarbans Tourism

পর্যাপ্ত জেটির অভাব, সুন্দরবন ভ্রমণে আশঙ্কা

শীত এবং বর্ষায় ইলিশ উৎসবে সব থেকে বেশি পর্যটকদের আনাগোনা হয় সুন্দরবনে। এ ছাড়াও, সারা বছর ভিড় লেগে থাকে।

প্রসেনজিৎ সাহা

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:২০
Share:

দোবাঁকিতে এক মাত্র জেটিতে লঞ্চে ওঠার ভিড়। নিজস্ব চিত্র ।

জলপথে সুন্দরবন ভ্রমণের সময় বিভিন্ন পর্যটন স্থলগুলিতে ওঠা-নামার জন্য জেটি ব্যবহার করেন পর্যটকেরা। কিন্তু অভিযোগ, সুন্দরবনের একাধিক পর্যটনস্থলে পর্যাপ্ত জেটি নেই। যা আছে, তার অবস্থাও খারাপ বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। ফলে পর্যটন মরসুমে যে কোনও দিন বড় বিপদের আশঙ্কা থেকে যায় বলে অনেকেরই মত।

শীত এবং বর্ষায় ইলিশ উৎসবে সব থেকে বেশি পর্যটকদের আনাগোনা হয় সুন্দরবনে। এ ছাড়াও, সারা বছর ভিড় লেগে থাকে। প্রতি দিন প্রায় পাঁচ হাজার পর্যটকদের জঙ্গলে ভ্রমণের অনুমতি দেয় বন দফতর। ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সুন্দরবন ভ্রমণে এসে ভুটভুটি থেকে পড়ে গিয়ে মাতলা নদীতে তলিয়ে যান এক যুবক। এই ঘটনা সামনে আসতেই নতুন করে সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রগুলির জেটির দূরবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভুটভুটি থেকে পড়ে তলিয়ে যেতে পারলে, দুর্বল জেটি থেকেও নদীতে পড়ে বিপদ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। পর্যটন ব্যবসায়ীদের দীর্ঘ দিনের অভিযোগ, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত জেটি না থাকার কারণে প্রতি মুহূর্তে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের। সব থেকে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে পাখিরালয়, দোবাঁকি, সজনেখালির মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনস্থলগুলিতে।

পর্যটন মরসুমে প্রতি দিন এই পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে হাজার হাজার পর্যটকদের ভিড় হয়। শতাধিক লঞ্চ, ভুটভুটি জেটিতে নিজেদের জলযান ভিড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করান। অভিযোগ, সঙ্কীর্ণ ও দুর্বল জেটিতে ওঠা নামা করতে হয় প্রাণ হাতে নিয়েই। পাখিরালয়ের মূল ঘাটে একটাই জেটি রয়েছে পর্যটকদের জন্য। দীর্ঘ দিন ধরে সেই জেটি বেহাল। পাশে একটি পন্টুন জেটি তৈরির কাজ দীর্ঘ দিন ধরেই অর্ধসমাপ্ত হয়ে রয়েছে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে আর একটি জেটি আছে, তবে সেটির একাধিক জায়গায় পাটাতন ভেঙে গিয়েছে। সজনেখালি ও দোবাঁকিতেও একটি করে জেটি রয়েছে পর্যটকদের ওঠা নামার জন্য।

পর্যটন ব্যবসায়ী নিউটন সরকার, নিতাই দাসেরা বলেন, “বার বার এ বিষয়ে বন দফতর থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি আমরা। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। পর্যটকদের কোনও বিপদ ঘটলে, তখন সব দোষ আমাদের ঘাড়েই পড়বে!” গোসাবার বিডিও বিশ্বরূপ বিশ্বাস বলেন, “ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জেটি তৈরি হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়, আরও কিছু জেটির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ঠিক কোথায় সমস্যা তা খতিয়ে দেখা হবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন