—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
বারাসতে ফের বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। সেখানে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির এক নেতা রোহিত চক্রবর্তীর বাড়িতে শুক্রবার রাতে চড়াও হয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েক জনের বিরুদ্ধে। যদিও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে বারাসত থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, এ দিনের ঘটনায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ব্যক্তিগত সহায়ক সুবীর শীল এবং আর এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁরা স্থানীয় বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ দলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন সভাপতি তাপস মিত্রের। বিধায়কেরপাল্টা দাবি, তাপস ব্যক্তিগত ঝামেলাকে দলের গোলমাল বলে অভিযোগ করছেন।
তাপসের অভিযোগ, ‘‘অভিযুক্তেরা সকলে মত্ত ছিল। তারা নব্য বিজেপি, ভোটের এক মাস আগে বিধায়কের সঙ্গে যুক্ত হয়। বিধায়ক তাদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন।’’ বিধায়কের পাল্টা দাবি, ‘‘তাপস টিকিট না পেয়ে নির্দল হয়েছিলেন। আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছেন, যা দলীয় কর্মীরা ভাল ভাবে নেননি। অভিযুক্তেরা সকলেই পুরনো বিজেপি।’’
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভোটে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই বেসুরো বাজছিলেন তাপস। দলীয় প্রার্থী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন তিনি। এমনকি, শমীকের ব্যক্তিগত সহায়ক সুবীরের বিরুদ্ধে দলীয় টিকিট বিক্রি ও তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতা করার অভিযোগও তোলেন। পরে নির্দল প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়ান তাপস। ভোটের ফল ঘোষণার পরে তিনি দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের প্ররোচনা দেন বলেও অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাপস স্থানীয় একটি বাড়িতে বিধায়ক এবং সুবীরের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করছিলেন, তার প্রতিবাদ করাতেই গোলমালের সূত্রপাত। এ দিনের ঘটনা নিয়ে সুবীর বলেন, ‘‘গোলমাল থামাতে ঘটনাস্থলে যাই। অথচ আমার নামেই অভিযোগ করছেন। তাপস দলীয় নেতৃত্ব ও বিধায়ক সম্পর্কে কুরুচিকর কথা বলেন। তারই প্রতিবাদ করা হয়েছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে