—প্রতীকী চিত্র।
কাকাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে ভাইপো। সোমবার রাতে কাকা ও ভাইপোর মধ্যে বচসা চলাকালীন এই খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘরের মধ্যে থাকা ভারী কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করার ফলেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে ওই ব্যক্তি মারা গিয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান। ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াপাড়া থানা এলাকার ইছাপুরের গোয়ালাপাড়ায়। নিহতের নাম কানাই প্রামাণিক (৫১)। অভিযুক্ত ভাইপোর নাম সৈকত প্রামাণিক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সৈকতের বিরুদ্ধে এর আগেও তার আর এক কাকাকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় বছর তিনেক জেলে থাকার পরে জামিনে ছাড়া পেয়েছিল সৈকত। তদন্তকারীরা জানান, সোমবার রাতে পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বচসা বাধে সৈকত ও তার কাকা কানাইয়ের। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ ও পারস্পরিক কটূক্তির কারণেই উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় খুনের ঘটনা ঘটেছে। মাথায় আঘাত লাগায় গুরুতর জখম কানাইকে ব্যারাকপুরের বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মঙ্গলবার সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। প্রতিবেশীরাও জানিয়েছেন, সৈকতের পরিবারের পুরুষেরা নিয়মিত গালিগালাজ ও খারাপ ভাষা ব্যবহার করায় স্থানীয়েরা তাঁদের সঙ্গে খুব বেশি মেলামেশা করেন না। উত্তর ব্যারাকপুরের পুরপ্রধান মলয় ঘোষ বলেন, ‘‘বচসার জেরেই খুন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। তবে, এর আগেও ওই যুবকের বিরুদ্ধে আর এক কাকাকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল।’’
প্রসঙ্গত, এর আগেও সৈকতের সঙ্গে তার অন্য এক কাকার কথা-কাটাকাটি ও পারস্পরিক কুকথার জেরে সে তাঁকেও খুন করেছিল বলে অভিযোগ। ব্যারাকপুর কমিশনারেটের ডিসি (উত্তর) গণেশ বিশ্বাস এই ঘটনার বিষয়ে বলেন, ‘‘দুই কাকাকে খুনের অভিযোগ উঠেছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে। আমরা খতিয়ে দেখছি পুরো বিষয়টি।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে