‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’ ও ‘নমামী গঙ্গে’— এই দুই প্রকল্পের মাধ্যমে শ্যামপুরের শিবগঞ্জ এলাকাকে সাজাতে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শ্যামপুর ১ ব্লকের বিডিও অনন্যা ঘোষ বলেন, ‘‘ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকারের লোকেরা ও খড়্গপুর আইআইটির এক বিশেষজ্ঞ দল এলাকাটি পরিদর্শন করে গিয়েছে। প্রকল্পটির রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।’’
শিবগঞ্জ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নৈনান পর্যন্ত ভুটভুটির মাধ্যমে খেয়া পারাপার চলে। প্রচুর লোক যাতায়াত করেন। নৈনান হয়ে সহজে কলকাতাও পৌঁছে যাওয়া যায়। নদী এবং নদীঘাট পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি মানুষের সুবিধার্থে আরও নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেমন— নদী ঘাটের আমূল সংস্কার, উন্নতমানের চুল্লি নির্মাণ করা। নদী তীরবর্তী এলাকাগুলির বাসিন্দাদের বাড়িতে দ্রুত শৌচালয় তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে তাঁরা নদীর পাড়ে শৌচকর্ম না করেন। সেই সব কাজ যাতে ভাল ভাবে সে জন্য পাশে দাঁড়িয়েছে শ্যামপুর ১ ব্লক ও ডিঙাখোলা পঞ্চায়েত। শিবগঞ্জ ঘাটের কাছে একশো দিন কাজের প্রকল্পে শিশুদের জন্য একটি পার্ক তৈরি করছে। সেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর, শিবগঞ্জ নদীঘাটের প্রায় আধ কিলোমিটার এলাকা নদীর বাঁধ ঢালাই করা হবে। গঙ্গার পাড় ব্লক পিচিং করা হবে। নদী ঘাটে রাজ্য সরকার একটি জেটি নির্মাণও করছে বলে জানা গিয়েছে। শ্যামপুর ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রঞ্জিত বেরা বলেন, ‘‘শিবগঞ্জকে যাতে পুরদস্তুর পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যায়, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’’