—প্রতীকী চিত্র।
পুকুর চুরি না হলেও খাট চুরিই বা কম কী! বন্ধ বাড়ি থেকে চুরি গেল দু’টি গোটা খাট! অথচ চুরির পরেও ফ্ল্যাট তালা বন্ধই থাকল! বুধবার রাতে বাড়ি ফিরে এমনই অভিযোগ করেছেন সোদপুরের বাসিন্দা এক ব্যক্তি।
অভিযোগকারীর দাবি, জিনিসপত্রের পাশাপাশি দু’টি খাট চুরি গিয়েছে তাঁর ফ্ল্যাট থেকে। কিন্তু মূল্যবান জিনিসপত্রের সঙ্গে খাটও কী ভাবে চোরেরা নিয়ে গেল, তা নিয়ে বিস্মিত পুলিশও। ঘটনারতদন্তে নেমে এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখছেন তদন্তকারীরা।
ঘটনাটি ঘটেছে সোদপুর রাসমণি মোড় থেকে পঞ্চাননতলা বাজারের কাছে অরবিন্দ পল্লির একটি আবাসনে। সেখানেই মাকে নিয়ে থাকেন শুভজিৎ গোস্বামী। শুভজিৎ পুলিশকে জানিয়েছেন, গত শনিবার মাকে নিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে তিনি বেড়াতে গিয়েছিলেন। বুধবার রাতে ফিরে নিজের কাছে থাকাচাবি দিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা খুলেতাজ্জব বনে যান যুবক। দেখেন, গোটা ঘর তোলপাড় হয়ে রয়েছে। দু’টি শোয়ার ঘর থেকে দু’টি স্টিলের খাটও উধাও। শুভজিৎ বলেন, ‘‘অথচ ফ্ল্যাটের দরজার তালা ভাঙা ছিল না। তা হলে কী ভাবে চোরেরা খাটনিয়ে বেরিয়ে গেল, সেটাই বুঝতে পারছি না।’’
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খড়দহ থানার পুলিশ। লিখিত অভিযোগে শুভজিৎ দাবি করেছেন, একটি ল্যাপটপ, একটি সোনার নাকছাবি ও আংটি, এক জোড়া সোনার দুল, ছাড়াও গৃহস্থালীর টুকিটাকি জিনিস চুরি গিয়েছে। বিস্মিত প্রতিবেশীরাও। আবাসনের কেউ কিছু দেখেননি বলেই দাবি। তা হলে জিনিসপত্রের সঙ্গে দু’টি খাট বার করে নিয়ে গেল কে বা কারা? সেই রহস্য উদ্ঘাটনে নেমেছে খড়দহ থানার পুলিশ।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে