Fugitive TMC Leader Arrested

পাটখেতে তল্লাশি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর, পালিয়ে বেড়ানো তৃণমূল নেতা অবশেষে গ্রেফতার হলেন হাসনাবাদেই!

বিধানসভা ভোটের আগে হিঙ্গলগঞ্জের তৃণমূলের প্রার্থী আনন্দ সরকার পিন্টুর বিরুদ্ধে হাসনাবাদ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ ছিল, নিজের দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশকে মারধর করছেন। এমনকি, খুনের হুমকিও দিচ্ছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ ২১:৪৭
Share:

(বাঁ দিকে) উত্তর ২৪ পরগনায় তৃণমূল নে‌তার জমি থেকে উদ্ধার অস্ত্র। গ্রেফতার পালিয়ে বেড়ানো তৃণমূল নেতা পিন্টু মোল্লা (ডান দিকে)। —নিজস্ব চিত্র।

তাঁর বিরুদ্ধে নিজের দল তৃণমূলের একাংশ থেকে বিজেপির লোকজনের নানা অভিযোগ। অভিযোগ গ্রামের সাধারণ মানুষেরও। সেই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতে হাসনাবাদ থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পাটলি খানপুর অঞ্চলের সভাপতি পিন্টু মোল্লা। রবিবার এলাকার একটি পাটের খেত থেকে তাঁকে পাকড়াও করে পুলিশ। সেখানেই লুকিয়ে ছিলেন অভিযুক্ত।

Advertisement

বিধানসভা ভোটের আগে হিঙ্গলগঞ্জের তৃণমূলের প্রার্থী আনন্দ সরকার পিন্টুর বিরুদ্ধে হাসনাবাদ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ ছিল, নিজের দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশকে মারধর করছেন। এমনকি, খুনের হুমকিও দিচ্ছেন। ভোটের সময় বিজেপিও পিন্টুর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছিল। বিরোধীদের ভোটপ্রচারে বাধা দিচ্ছিলেন পিন্টু, কাউকে কাউকে বাড়িছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন— এমন প্রচুর অভিযগ গিয়েছে থানায়। ভোট পরবর্তী সময়েও লুটপাট, খুনের হুমকি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছে হাসনাবাদ থানায়। ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে পিন্টুর খোঁজে ছিল পুলিশ। এত দিন পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। রবিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পাটলি খানপুর এলাকার পার্শ্ববর্তী একটি পাটখেত ঘিরে ফেলে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেখান থেকেই ওই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার ধৃতকে আদালতে হাজির করানো হবে।

অন্য দিকে, উত্তর ২৪ পরগনার উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ অজিত সাহা এবং তাঁর ভাই সুজিত সাহাকে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে আবার অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। আগেই গ্রেফতার হয়েছেন দুই ভাই। তাঁদের কাছ থেকে প্রচুর অস্ত্র এবং কার্তুজ পাওয়া গিয়েছে। এ বার সুজিতের একটি জমিতে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। মাটির খুঁড়ে পাওয়া যায় তিনটি দোনলা বন্দুক এবং বেশ কিছু কার্তুজ। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি বাজেয়াপ্ত করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এর আগে ভোট-পরবর্তী হিংসা, তোলাবাজি ও বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা এবং ভাইয়ের বিরুদ্ধে। কয়েক দিন আগে তাঁদের বাড়ি-সহ নানা জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ অর্থ, কার্তুজ, এয়ারগান, এয়ার পিস্তল ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement