টুকরো খবর

তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের অশালীন মন্তব্যকে ঘিরে উত্তাল দেগঙ্গা। তাঁকে গ্রেফতারের দাবিতে এফআইআরও করা হল বিজেপির তরফে। বুধবার বিকেলে বিজেপি নেতা প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তরুণ ঘোষের নেতৃত্বে একটি মিছিল যায় দেগঙ্গা থানায়। সেখানে তাপসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৪ ০২:০৭
Share:

তাপসের বিরুদ্ধে এফআইআর দেগঙ্গায়

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • বসিরহাট

তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের অশালীন মন্তব্যকে ঘিরে উত্তাল দেগঙ্গা। তাঁকে গ্রেফতারের দাবিতে এফআইআরও করা হল বিজেপির তরফে। বুধবার বিকেলে বিজেপি নেতা প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তরুণ ঘোষের নেতৃত্বে একটি মিছিল যায় দেগঙ্গা থানায়। সেখানে তাপসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়। পরে হাড়োয়ার এক সভায় বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য তাপস পালের মন্তব্যের প্রতিবাদ করে বলেন, “ওই সাংসদের নাম উচ্চারণ করে আর বাংলার গরিমাকে কালিমালিপ্ত করতে চাই না। প্রকাশ্যে ধর্ষণ করিয়ে দেব, গুলি করব, মাথা কাটব বলা সত্ত্বেও এই সরকার এমন এক জন সাংসদকে ক্ষমা করে। এটাই প্রমাণ করেছে যে এ রাজ্যে আইনের কোনও শাসন নেই।” কামদুনি, খয়রাশোলের ঘটনার পিছনেও তৃণমূলের ভূমিকা আছে বলে সমালোচনা করেন শমীকবাবু বলেন, “এ রাজ্যে কেবল শিল্প-শিক্ষা মন্ত্রীর বদল হচ্ছে। কিন্তু উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে না। দিন দিন ঋণের বোঝা বাড়িয়ে কেবল উৎসবের রাজনীতি হচ্ছে।” দুপুরে হাড়োয়ার রাখালপল্লিতে এক অনুষ্ঠানে শমীক ভট্টাচার্য়ের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন দেগঙ্গার চাঁপাতলা লোকাল কমিটির সিপিএমের প্রাক্তন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, দলের সদস্য আনসারউদ্দিন আহমেদ এবং কুলটি এলাকার সিপিএম সদস্য আবুবক্কর মোল্লা-সহ প্রায় শ’পাঁচেক কর্মী-সমর্থক। মনিরুল, আনসার, আবুবক্কররা বলেন, “তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়তে পারে বিজেপি-ই। সিপিএমে থেকে কেবল মার খেতে হচ্ছে।” জেলা পরিষদের বিরোধী দলনেতা, সিপিএমের ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, “পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকেই দলবিরোধী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ায় মনিরুলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”

Advertisement

কর্মবিরতি শ্রমিকদের

নিজস্ব সংবাদদাতা • ব্যারাকপুর

লোকসানের যুক্তি দেখিয়ে সপ্তাহে সাত দিনের জায়গায় পাঁচ দিন কাজ করানো হচ্ছিল। এ বার তা আরও এক দিন কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কাঁকিনাড়ার নফরচন্দ্র জুটমিল কর্তৃপক্ষ। তারই প্রতিবাদে বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করলেন সেখানকার শ্রমিকেরা। ডান-বাম সব ক’টি ইউনিয়নই সামিল হয়েছে তাতে। শ্রমিকদের বক্তব্য, এ ভাবে কাজের দিন কমিয়ে আসলে মিল বন্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত করছেন কর্তৃপক্ষ। স্থায়ী শ্রমিকদের কাজ যেমন কমছে, পাশাপাশি ঠিকাশ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর প্রবণতা বাড়ছে কর্তৃপক্ষের। মিলের চিফ পার্সোনাল ম্যানেজার অমৃত গোস্বামী অবশ্য বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সাময়িক। কারণ, বাজার মন্দা হওয়ায় উৎপাদিত পণ্য রফতানি করা যাচ্ছে না। তার উপরে বর্ষা নেমে যাওয়ায় নষ্ট হচ্ছে কাঁচামাল-সহ অন্য সামগ্রী।” অন্য দিকে, বুধবার থেকেই শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করেছেন নৈহাটির নদিয়া চটকলেও। শ্রমদিবস বাড়ানো-সহ কয়েক দফা আছে তাঁদের।

মমতাকে জবাব দিতে রায়দিঘিতে বুদ্ধদেব

রায়দিঘি খুনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে মাঠে নামাচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সিপিএম। ওই ঘটনায় সিপিএম নেতাদের মিথ্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে রায়দিঘির কৃষ্ণচন্দ্রপুরে রবিবার সভা করবেন বুদ্ধবাবু। গত ১৪ জুন সালিশি সভা থেকে ফেরার পথে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হন তিন তৃণমূল কর্মী ও এক সিপিএম সমর্থক। ওই ঘটনায় প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়-সহ ২১ জন সিপিএম নেতা ও কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে এক নিহতের আত্মীয়। মঙ্গলবার রায়দিঘিতে নিহতদের পরিজনদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিপিএম ওই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বলে পরোক্ষভাবে উল্লেখও করেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement