তোলা চেয়ে মার, জখম বাবা-ছেলে

দাবি মতো তোলা না পাওয়ায় বাবা ও ছেলেকে ঘুম থেকে তুলে লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করল দুষ্কৃতীরা। ব্লেড দিয়ে চিরে দেওয়া হয়েছে দু’জনের সারা শরীর। দু’জনেরই চিকিৎসা চলছে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতান্নর ইস্রাফিল বাগানির মাথায় ৩৫টি সেলাই পড়েছে। তাঁর ছেলে আমেনুর বাগানির মাথায় ও কানে ৫৪টি সেলাই করতে হয়েছে। তবে দু’জনেরই অবস্থা স্থিতিশীল।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০১৫ ০২:৩৩
Share:

ছবি: দিলীপ লস্কর।

দাবি মতো তোলা না পাওয়ায় বাবা ও ছেলেকে ঘুম থেকে তুলে লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করল দুষ্কৃতীরা। ব্লেড দিয়ে চিরে দেওয়া হয়েছে দু’জনের সারা শরীর। দু’জনেরই চিকিৎসা চলছে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতান্নর ইস্রাফিল বাগানির মাথায় ৩৫টি সেলাই পড়েছে। তাঁর ছেলে আমেনুর বাগানির মাথায় ও কানে ৫৪টি সেলাই করতে হয়েছে। তবে দু’জনেরই অবস্থা স্থিতিশীল।

Advertisement

বুধবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পারুলিয়া কোস্টালের ভূসনা গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় আলেপ ও মোকাদ্দার জমাদার নামে দুই ভাইকে ভূষণা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ধৃতদের আজ, শুক্রবার ডায়মন্ড হারবার আদালতে তোলা হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূষণা গ্রামের বাসিন্দা বছর তিরিশের আমেনুর কয়েক মাস আগে একটি গ্যাস কোম্পানির এজেন্সি পায়। বাড়ি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে সিলিন্ডার রাখার গোডাউন ও অফিস তৈরির কাজ চলছে। ইমারতি সামগ্রী যাতে চুরি না হয়, সে জন্য বাবা-ছেলে রাতে নির্মীয়মাণ ওই অফিসেই ছিলেন। রাত ১টা নাগাদ স্থানীয় জনা কয়েক সশস্ত্র দূষ্কৃতী চড়াও হয় সেখানে। অভিযোগ, ব্যবসা করতে হলে ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে বলে দাবি করে তারা। টাকা দিতে না চাওয়ায় শুরু হয় মারধর। পরে প্রায় ১ লক্ষ টাকা দিতেও হয় দুষ্কৃতীদের।

Advertisement

ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে শুয়ে আমেনুর বলেন, ‘‘টাকা না দিলে হয় তো মেরেই ফেলত। আমাদের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা বেরিয়ে আসেন।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement