পাচারে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, অভিযোগ বিজেপি নেতার

তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস, ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে শতাধিক নেতা-কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে। সোমবার বসিরহাটের টাউনহলে দলের কর্মিসভায় তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্য। তৃণমূলের কেউ কেউ সীমান্ত এলাকায় পাচারের কাজে যুক্ত বলে অভিযোগ করে শমীকবাবু বলেন, “বাম আমলে সিপিএম যাদের দিয়ে খুন-জখম-অপরাধ সংগঠিত করত, তারাই এখন তৃণমূলের নেতা হচ্ছেন।”

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

বসিরহাট শেষ আপডেট: ২২ জুলাই ২০১৪ ০২:১৬
Share:

দলে এলেন যাঁরা। সোমবার তোলা নিজস্ব চিত্র।

তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস, ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে শতাধিক নেতা-কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে। সোমবার বসিরহাটের টাউনহলে দলের কর্মিসভায় তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্য।

Advertisement

তৃণমূলের কেউ কেউ সীমান্ত এলাকায় পাচারের কাজে যুক্ত বলে অভিযোগ করে শমীকবাবু বলেন, “বাম আমলে সিপিএম যাদের দিয়ে খুন-জখম-অপরাধ সংগঠিত করত, তারাই এখন তৃণমূলের নেতা হচ্ছেন।” সম্প্রতি তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের ছেলে তথা বিধায়ক শুভ্রাংশুর বক্তব্য নিয়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শমীকবাবু তৃণমূলের সমালোচনায় বলেন, “বাংলাদেশে কেবল গরু পাঠিয়ে সোনা আনাই নয়, ওরা মাটি-জলাজমি কিছুই বিক্রি করতে বাদ দিচ্ছে না।” তবে সীমান্ত এলাকায় পাচার রুখতে রাজ্য সরকারের পাশাপাশি কেন্দ্রেরও দায়িত্ব আছে বলে মনে করেন বিজেপি নেতা। সে ব্যাপারে পদক্ষেপ করতে বিএসএফের একটি বিশেষ দল শীঘ্রই সীমান্তে আসবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শমীকবাবুর মতে, সিপিএম, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব পাইয়ে দিয়েছে। আজ তারাই সীমান্ত অরক্ষিত করে তুলেছে।

সামনেই বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রের উপনির্বাচন। বিধায়ক নারায়ণ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আসনটি খালি হয়েছে। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে শমীকবাবু বলেন, “আর টাকা খরচ করে টিকিট কেটে সিনেমা দেখার দরকার নেই। কারণ, ভোট এলেই দিদির দাক্ষিণ্যে নায়ক-নায়িকাতে ভরে যাবে এলাকা। টলিউড চলে আসবে বসিরহাটে।”

Advertisement

বিজেপিতে সদ্য যোগ দিয়ে ফরওয়ার্ড ব্লকের বসিরহাট জোনাল কমিটির প্রাক্তন সদস্য শম্ভুনাথ সরকার বলেন, ‘‘সামান্য টাকার বিনিময়ে বামপন্থীরা যে ভাবে বিক্রি হচ্ছে, বামফ্রন্ট ভাঙছে, তাতে এমন দলের সঙ্গে আর থাকা যায় না।”

বিজেপি নেতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের নারায়ণ গোস্বামী বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রের হাতে। সীমান্তে পাচারের সমস্যা নিয়ে বিজেপিকে নেতাকেই জবাব দিতে হবে। সে সব না করতে পেরে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।” তাঁর অভিযোগ, লোকসভা ভোটের আগে এ সব বলে কিছু মানুষের সমর্থন পেয়েছিল। এ বার উপনির্বাচনে মানুষ ওদের উপযুক্ত জবাব দেবে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন