প্রতিবাদী যুবক সঞ্জয় দাসের মৃত্যুর খবর এলাকায় এসে পৌঁছনোর পরে এই ক্লাবটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন স্থানীয় মানুষ। খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তেরা এখানেই আড্ডা দিত বলে জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
মিড-ডে মিলে কারচুপি, প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের শৌচালয় তৈরির টাকা তছরুপ-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
গোসাবা ব্লকের গোসাবা উত্তর চক্রের ছোটমোল্লাখালি জিএসফ্রি প্রাইমারি স্কুলের ওই প্রধান শিক্ষকের নাম ননীগোপাল হাউলি। অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক গত জানুয়ারি মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত স্কুলের বাচ্চাদের মাত্র ৬ দিন মিড-ডে মিল খাইয়েছেন। কিন্তু তিনি ৭ মাসের মিড-ডে মিল খাওয়ানোর শংসাপত্র জমা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, স্কুলের প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের শৌচালয় নির্মাণের জন্য চাইল্ড উইথ স্পেশ্যাল নিড দফতরের দেওয়া ১ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা (চেক নম্বর: ০৬৫১৭৮) তুলে নিয়েছেন ওই প্রধান শিক্ষক, অভিযোগ উঠছে এ রকমও। এ ক্ষেত্রে তিনি ভিলেজ এডুকেশন কমিটি (ভিইসি) স্কুলের প্রাক্তন তৃতীয় অ্যাকাউন্ট অপারেটর তথা সর্বশিক্ষা মিশনের বাস্তুকার দেবরাজ মৃধার সই নকল করেছেন বলে অভিযোগ। দেবরাজ মৃধা বলেন, ‘‘সিডব্লিউএসএনের টাকা তোলার জন্য আমি কোনও চেকে সই করিনি। আমার সই নকল করা হয়েছে।’’
অভিযুক্তদের ধরার দাবিতে সোমবার সন্ধ্যায় সঞ্জয়ের দেহ নিয়ে পথ অবরোধ করেন স্থানীয় মানুষ। ছবি: সজল চট্টোপাধ্যায়।
স্কুলের পাঁচিল নির্মাণের জন্য সর্ব শিক্ষা মিশন থেকে ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, ওই টাকায় পুরো কাজ করা হয়নি। এ ছাড়া ,স্কুলের বাচ্চাদের পোশাকের টাকারও কারচুপি করেছেন ননীগোপালবাবু। এসআই অফ স্কুল শিশিরকুমার সরকার বলেন, ‘‘ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রচুর দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছি। এ জন্য তাঁকে শো-কজ করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে রিপোর্ট জেলায় পাঠিয়েছি।’’ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ননীগোপালবাবু বলেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। এসআই যে শো-কজ করেছিলেন আমি তার উত্তরও দিয়েছি।’’