ব্লক অফিসে ভাঙচুর, মার বাসন্তীতে

নথিতে গড়মিল থাকার অভিযোগে কয়েকটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বাতিল ঘোষণা করেছিল বিডিও অফিস। তার প্রতিবাদে বিডিও অফিসে ঢুকে ব্লকের প্রকল্প আধিকারিককে মারধর, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল সংশ্লিষ্ট স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মহিলাদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে বাসন্তী বিডিও অফিসে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:০৬
Share:

নথিতে গড়মিল থাকার অভিযোগে কয়েকটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বাতিল ঘোষণা করেছিল বিডিও অফিস। তার প্রতিবাদে বিডিও অফিসে ঢুকে ব্লকের প্রকল্প আধিকারিককে মারধর, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল সংশ্লিষ্ট স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মহিলাদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে বাসন্তী বিডিও অফিসে।

Advertisement

ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসন্তী ব্লকের রামচন্দ্রখালি পঞ্চায়েতের অধীনে মোট ১৪৫টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। তার মধ্যে ১১৯টি গোষ্ঠী মিলে তৈরি হয়েছে ‘রামচন্দ্রখালি দীপশিখা সঙ্ঘ।’ বাকি গোষ্ঠীগুলি ‘সুনামি স্বনির্ভর গোষ্ঠী’ নামে অন্য একটি গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। সম্প্রতি একটি সরকারি প্রকল্পের কাজ করার সময়ে সুনামি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর নথিতে গড়মিল ধরা পড়ে। পরে তাদের বাতিল করে দেওয়া হয়।

এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখাতে আসেন ওই গোষ্ঠীর মহিলারা। শুরু হয় অশান্তি। অভিযোগ, সুনামি গোষ্ঠীর সম্পাদক কল্পনা মণ্ডলের নেতৃত্বে ব্লক প্রকল্প আধিকারিক (বিপিএম) প্রবীর শাসমলকে ধাক্কাধাক্কি করে তাঁর ঘরের আসবাবপত্র ফেলে দেওয়া হয়। কম্পিউটার উল্টে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কল্পনাদেবী বাসন্তী ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মণ্টু গাজির অনুগামী। মণ্টু অবশ্য দাবি করেন, ‘‘এটা ঠিক যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থাকে। কিন্তু এ দিনের ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই।’’ ক্যানিংয়ের মহকুমাশাসক প্রদীপ আচার্য বলেন, ‘‘ব্লক অফিসে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কিছু মহিলা গিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে শুনেছি। বিডিওকে পুরো ঘটনার তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’ এ বিষয়ে প্রবীরবাবু অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

Advertisement

অভিযোগ অস্বীকার করে কল্পনা মণ্ডল দাবি করেছেন, তাঁদের গোষ্ঠীকে কেন বাতিল করা হল সেটা জানতেই এ দিন ব্লক অফিসে গিয়েছিলেন তাঁরা। তখন ব্লকের প্রকল্প আধিকারিক দুর্ব্যবহার করেন। তার প্রতিবাদ করা হয়। কিন্তু মারধর-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি।

কলেজে তালা। ভর্তির সময়ে প্রতিশ্রতি থাকলেও ঠিকমতো ক্যাম্পাসিং হচ্ছে না অভিযোগে বৃহস্পতিবার হাবরার বাণীপুরের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের গেটে তালা ঝুলিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধের নোটিস ঝুলিয়ে দিল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, ভর্তির সময় একশো শতাংশ প্লেসমেন্টের প্রতিশ্রতি দিয়েছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই কথা রাখা হয়নি। এ সব নিয়ে কথা বলতে গেলে কলেজ কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের সঙ্গে দু্র্ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ। সম্প্রতি একটি বহুজাতিক সংস্থায় কলেজের বেশ কিছু ছাত্রছাত্রী যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়া হয়। অভিযোগ এ দিন সকালে তাঁরা জানতে পারেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না মেলায় তাঁদের নিয়োগ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে সেই সংস্থাটি। এরপরেই ক্ষুব্ধ ছাত্রছাত্রীরা কলেজে তালা ঝুলিয়ে দেন। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এটি কলেজের অভ্যন্তরীন এক সমস্যা। বিষয়টি শীঘ্রই মিটে যাবে। ক্যাম্পাসিং চলবে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement