হিঙ্গলগঞ্জ কলেজে বিক্ষোভ

দীর্ঘদিন ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ার অভিযোগ তুলে কলেজের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখালেন পড়ুয়ারা। বুধবার হিঙ্গলগঞ্জ কলেজে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বিক্ষোভ চলে। পরে যদিও গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ তিন শিক্ষিকাকে কলেজের বাইরে বসে থাকতে হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সামিম ভড় বলেন, ‘‘কলেজের কাজে কিছু দিন বাইরে ছিলাম। শুনছি কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকা সময় মতো কলেজে আসছেন না।’’

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৪:২৮
Share:

প্রতিবাদী পড়ুয়া। নিজস্ব চিত্র।

দীর্ঘদিন ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ার অভিযোগ তুলে কলেজের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখালেন পড়ুয়ারা। বুধবার হিঙ্গলগঞ্জ কলেজে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বিক্ষোভ চলে। পরে যদিও গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ তিন শিক্ষিকাকে কলেজের বাইরে বসে থাকতে হয়েছে।

Advertisement

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সামিম ভড় বলেন, ‘‘কলেজের কাজে কিছু দিন বাইরে ছিলাম। শুনছি কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকা সময় মতো কলেজে আসছেন না। আবার এলেও ছুটির আগে বাড়ি চলে যাচ্ছেন। বিষয়টি পরিচালন সমিতিতে আলোচনা করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

পড়ুয়াদের অভিযোগ, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অধিকাংশই সময় মতো কলেজে আসেন না। আবার অনেকে ঘণ্টাখানেক থেকেই বাড়ির পথে হাঁটা লাগান। এ ভাবে পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক রাসেদুল গাজি বলেন, ‘‘সুন্দরবন এলাকার ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্যই কলেজটি তৈরি করা হয়েছিল। এই একটি মাত্র কলেজই তাঁদের সম্বল। তার মধ্যে পরিকাঠামোর অভাব। এত ছাত্রছাত্রীদের পড়ার মতো উপযুক্ত ঘরও নেই। কোনও রকমে কষ্ট করে ক্লাস করতে হয়। পড়ুয়ারা যদি দূরদূরান্ত থেকে সময়ে কলেজে আসতে পারে, তা হলে কেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা বেলা ১২টা এসে আবার ট্রেন ধরার জন্য দুপুর ১টার মধ্যে বেরিয়ে যাবেন? এতে পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে।’’

Advertisement

কলেজে আড়াই হাজারের উপরে পড়ুয়া। শিক্ষক ও পার্শ্ব শিক্ষক মিলিয়ে মোট ২৮ জন। শিক্ষিকা শুক্লা ভট্টাচার্য আসেন শ্রীরামপুর থেকে। নুপুর দত্তের বাড়ি যাদবপুরে। কোন্নগরে থাকেন সঞ্চিতা চক্রবর্তী। ওই তিন শিক্ষিকারা জানান, দূরে বাড়ি হওয়ায় ভোর সাড়ে ৪টেয় বের হতে হয়। এরপরে ভ্যান, বাস, ট্রেকার, ট্রেনে করে হাসনাবাদ পৌঁছই। নৌকোয় নদী পার হতে হয়। তারপরে বাস কিংবাঅটোয় কলেজে আসতে হয়। কোনও একটা গাড়ি দেরি করলে পৌঁছতে দেরি হয়ে যায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement