—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
ভূগোলের স্নাতক সমাপ্তি মণ্ডল বাবার মৃত্যুর পরে বাধ্য হয়েই পারিবারিক জমিতে কৃষিকাজে যুক্ত হন। একা শুরু করেও উদ্যমে পিছনে ফেলেছেন অনেককে। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় তাঁদের তিন বিঘা জমিতে বছরে তিন বার ফসল ফলে। ধান, সর্ষে, আলু, শীতের আনাজের সঙ্গে তিল, ওল চাষ করেন তিনি। একাই পাওয়ার টিলার চালান।
বহরমপুরের মৌসুমী বিশ্বাস তৈরি করেছেন নতুন রকম ধান। বাংলাদেশ ও মায়ানমারে পান রফতানি করেন তিনি। হরিণঘাটার তাপসী রায় জৈব সার তৈরি করা শিখে প্রায় ৫০০ পরিবারকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন আস্ত একটি সমবায়। একই ভাবে কৃষিতে অন্যদের দিশা দেখাচ্ছেন পুরুলিয়ার বাঁধগড়ের লক্ষ্মী কর্মকার এবং কোচবিহারের হোসেনারা বিবি। রাষ্ট্রপুঞ্জের আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ উপলক্ষে শনিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এমনই পাঁচ জন মহিলা কৃষককে ‘কৃষি অনন্যা’ সম্মানে ভূষিত করল রাজ্য কৃষি দফতরে কর্মরত আধিকারিক ও বিজ্ঞানীদের সংগঠন ‘স্টেট এগ্রিকালচারাল টেকনোলজিস্টস সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন’। ওই পাঁচ মহিলা কৃষককে মানপত্র ও স্মারক ছাড়াও ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।
এ বার ওই সংগঠনের ৭৫ বছর উপলক্ষে মহিলা কৃষকদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে তিন হাজার জনকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ দিন সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তৃতা দেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে